ঢাকা ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

সাবেক আইনমন্ত্রীর সহযোগী তৌফিকার ৫৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন সহযোগী তৌফিকা আফতাব ওরফে তৌফিকা করিমের বিরুদ্ধে মোট ৫৬ কোটি ৬১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও ৩৭৪ কোটি ৫১ লাখ টাকার সন্দেহভাজন লেনদেনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

শনিবার (২৪ মে) মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তৌফিকা আফতাব ওরফে তৌফিকা করিমের নামে মোট ৫৯ কোটি ২৩ লাখ ৬৪ হাজার ২৪ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এসব সম্পদের বিপরীতে বৈধ ও গ্রহণযোগ্য উৎস পাওয়া গেছে মাত্র ২ কোটি ৬২ লাখ ৭ হাজার ৭২৬ টাকা। ফলে তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫৬ কোটি ৬১ লাখ ৫৬ হাজার ২৯৮ টাকা।

এছাড়াও অনুসন্ধানে দেখা যায়, তিনি নিজের নামে ৮৮টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে মোট ৩৭৪ কোটি ৫১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৮৪ টাকার আর্থিক লেনদেন করেছেন। যার মধ্যে জমা হয়েছে ২০১ কোটি ৮৮ লাখ এবং উত্তোলন হয়েছে ১৭২ কোটি ৬২ লাখ টাকা। এই বিশাল অঙ্কের লেনদেনের যথাযথ ব্যাখ্যা না থাকায় তা সন্দেহজনক অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। 

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :

মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বাছাই আজ

সাবেক আইনমন্ত্রীর সহযোগী তৌফিকার ৫৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

আপডেট সময় ০৫:০৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন সহযোগী তৌফিকা আফতাব ওরফে তৌফিকা করিমের বিরুদ্ধে মোট ৫৬ কোটি ৬১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও ৩৭৪ কোটি ৫১ লাখ টাকার সন্দেহভাজন লেনদেনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

শনিবার (২৪ মে) মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তৌফিকা আফতাব ওরফে তৌফিকা করিমের নামে মোট ৫৯ কোটি ২৩ লাখ ৬৪ হাজার ২৪ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এসব সম্পদের বিপরীতে বৈধ ও গ্রহণযোগ্য উৎস পাওয়া গেছে মাত্র ২ কোটি ৬২ লাখ ৭ হাজার ৭২৬ টাকা। ফলে তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫৬ কোটি ৬১ লাখ ৫৬ হাজার ২৯৮ টাকা।

এছাড়াও অনুসন্ধানে দেখা যায়, তিনি নিজের নামে ৮৮টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে মোট ৩৭৪ কোটি ৫১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৮৪ টাকার আর্থিক লেনদেন করেছেন। যার মধ্যে জমা হয়েছে ২০১ কোটি ৮৮ লাখ এবং উত্তোলন হয়েছে ১৭২ কোটি ৬২ লাখ টাকা। এই বিশাল অঙ্কের লেনদেনের যথাযথ ব্যাখ্যা না থাকায় তা সন্দেহজনক অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। 

বাংলা৭১নিউজ/এবি