ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালা মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাচার করেছেন এবং তিনি হাসিনার ফ্যাসিজমের পেছনে অর্থলগ্নি করেছেন। জুলাই বিপ্লবকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রে অর্থ জোগানদাতা হিসেবে তার বিরুদ্ধে এর আগেও বৈষম্যবিরোধী মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এসব কথা বলেন।
স্বর্ণ ও হীরা বিক্রির আড়ালে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকা চোরাকারবার ও অর্থপাচারের (মানিলন্ডারিং) মামলায় আজ দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে এক দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বলেন, আমরা রাষ্ট্রপক্ষে এই আসামিকে কেন রিমান্ডে নিতে হবে সে বিষয়ে যুক্তি উপস্থাপন করি।
আমরা রাষ্ট্রপক্ষে যে সাবমিশন রেখেছি সেটা হচ্ছে, দিলীপ আগরওয়ালা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপকমিটির একজন সদস্য। তিনি ২০০৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তার এই ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবসার ক্ষেত্রে ৩৮ কোটি ৪৭ লাখ ৪৮ হাজার ১১ টাকার স্বর্ণালংকার, ডায়মন্ডসহ বিভিন্ন অলংকার এলসির মাধ্যমে বৈধভাবে আমদানি করেছেন। আর ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার স্বর্ণালংকার তিনি লোকাল বাজার থেকে ক্রয় করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এই যে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার ক্রয়ের বিষয়; সেই সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরো বলেন, এই আসামি বাংলাদেশের মানি লন্ডারিংয়ের মূল হোতাদের অন্যতম হওয়ার কারণে এবং মামলার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য ৩ দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করা হয়। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শুনে ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ























