সৌদি আরবের ওপর পরিচালিত যেকোনো আক্রমণকে পাকিস্তানের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী সরদার মুহাম্মদ ইউসুফ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইসলামাবাদের ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের পর আরব নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী সরদার মুহাম্মদ ইউসুফ জানান, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় পাকিস্তান সৌদি আরবের নিরাপত্তাকে নিজেদের নিরাপত্তার অংশ মনে করে।
রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি মালিশিয়ার সাম্প্রতিক হামলায় একজন পাকিস্তানি নাগরিক নিহত এবং আরো ১১ জন আহত হওয়ার পটভূমিতে তিনি এই বক্তব্য দেন।
মন্ত্রী ইউসুফ বলেন, পবিত্র হারামাইন শরিফাইন ও হিজাজ-ই-মুকাদ্দাসের নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন করার চক্রান্ত কোনো মুসলিম সহ্য করবে না। তিনি উল্লেখ করেন, উমরাহ যাত্রীদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো একটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা, কারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ সেখানে কেবল পাপমোচনের উদ্দেশ্যে যান, কারো সঙ্গে লড়াই করতে নয়।
সৌদি জোটের হামলার পর আরামকোতে হুথিদের পাল্টা হামলাসৌদি জোটের হামলার পর আরামকোতে হুথিদের পাল্টা হামলা
সৌদি আরবকে কার্যকর সুরক্ষা দিতে ইতোমধ্যে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি এবং গত আগস্টে তুরস্কসহ ত্রিদেশীয় ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তিগুলোর শর্ত অনুযায়ী মিত্র যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণকে সব দেশের ওপর যৌথ হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও সংসদ সদস্যরাও অংশ নেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পাকিস্তানের মহাসচিব মাওলানা আবদুল গফুর হায়দারী, পাক-সৌদি সংহতি পরিষদের পৃষ্ঠপোষক সিনেটর ড. হাফিজ আবদুল করিম এবং জমিয়তে উলামায়ে পাকিস্তানের প্রধান শাহ ওয়াইস নূরানী যৌথভাবে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং উমরাহ যাত্রীদের নিরাপত্তার ওপর আঘাতকে চরম সীমালঙ্ঘন বলে আখ্যা দেন।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ























