আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভবন লক্ষ্য করে ইট ও কংক্রিটের টুকরা ছুড়েছেন বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা। জবাবে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করেছে।
রয়টার্স জানায়, মঙ্গলবার শিক্ষা ও সামাজিক নানা সমস্যা নিয়ে চলা বিক্ষোভ একপর্যায়ে সহিংস হয়ে ওঠে। এ সময় কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ।
আন্দোলনের আয়োজকেরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ, উচ্চশিক্ষার খরচ, আর্থিক সহায়তা এবং পড়াশোনা শেষে চাকরি পাওয়ার সুযোগ নিয়ে তারা বিক্ষোভ করছেন। অন্যদিকে, কয়েকজন বিক্ষোভকারী জানান, সমাজের বৈষম্য ও সরকারের প্রতি ক্ষোভ জানাতে তারা রাস্তায় নেমেছেন।
বিক্ষোভকারী লুলজেতা কোলা বলেন, ‘আলবেনিয়ার এখন বিপ্লব দরকার। পরিবর্তন দরকার। পুরো ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন দরকার। কারণ, এভাবে আর চলতে পারে না।
তিনি আরো বলেন, দেশটিতে সামাজিক অবিচার গভীর। ধনী ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে ব্যবধানও অনেক বেশি।
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে আলবেনিয়ায় এ বিক্ষোভ হলো। ফ্রান্সেও কয়েক সপ্তাহ ধরে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন। তারা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রবেশপথ বন্ধ করে দিয়ে শিক্ষক নিয়োগ বাড়ানো এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুযোগ-সুবিধা উন্নত করার দাবি জানাচ্ছেন।
ফ্রান্সের বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের ভবনগুলোর অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। শ্রেণিকক্ষেও শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ভিড় রয়েছে। এতে শিক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এদিকে, আলবেনিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলবানা কোচিউ সহিংসতার সমালোচনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘সহিংসতা কখনো সমাধান ছিল না, এখনো নয়, ভবিষ্যতেও হবে না।’
তিনি আরো বলেন, পাথর ছোড়া, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা, পুলিশের ওপর আক্রমণ এবং সরকারি সম্পদ ধ্বংস করে তরুণদের ক্ষোভ প্রকাশ করা উচিত নয়।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ























