ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo তুরস্ক গেলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান Logo অনুমোদনের অপেক্ষায় রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র Logo ১০টি এয়ারবাস কিনতে আজ চুক্তি সই করবে বিমান Logo ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় ২৩ ভারতীয় ক্রুবাহী তেল ট্যাঙ্কারে আগুন Logo পেশা ও শ্রমজীবী মানুষের নাভিশ্বাস, নাগালের বাইরে জীবনযাপনের ব্যয় Logo যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ Logo মেসির বিদায়ে আবেগে ভাসলেন বাংলাদেশের তারকারা Logo দেনমোহর স্ত্রীর অধিকার, আর্থিক সংকট দেখিয়ে দায় এড়াতে পারবেন না স্বামী: হাইকোর্ট Logo আপসের পর এমপি গাজী নজরুলের শুনানি আজ Logo সন্ত্রাসী হামলা ঠেকানো ভারতীয় পাইলট স্মিতকে সম্মান জানাবে যুক্তরাষ্ট্র

সন্ত্রাসী হামলা ঠেকানো ভারতীয় পাইলট স্মিতকে সম্মান জানাবে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে সম্মান জানানোর প্রস্তাব আনা হয়েছে। উড়োজাহাজে সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা ঠেকিয়ে যাত্রীদের জীবন রক্ষায় ভূমিকার জন্য তাকে সম্মান জানাতে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে উড়োজাহাজের ক্রু ও যাত্রীদেরও স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই নিউজ জানায়, ৫ অক্টোবর মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জশ গটহাইমার, ডন বেকন ও মাইকেল ম্যাককল প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। পরে এটি প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটিতে পাঠানো হয়।

প্রস্তাবে বলা হয়, ৩০ সেপ্টেম্বর দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের উদ্দেশে উড়াল দেয় ফ্লাইদুবাইয়ের ১০৭৩ নম্বর ফ্লাইট।

উড়োজাহাজটিতে প্রায় ১৭৪ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজন মার্কিন নাগরিক ও ২৭জন শিশু ছিল।

উড্ডয়নের পর সহকারী পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের ওপর হামলা করেন। জরুরি অবস্থায় ব্যবহারের কুঠার দিয়ে তাকে আঘাত করে উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

এতে ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে উড়োজাহাজটি ১৬ হাজার ফুটের বেশি নিচে নেমে যায়।

গুরুতর আহত হওয়ার পরও মাচ্ছার হামলাকারীকে প্রতিহত করেন। পরে নিজের অবশিষ্ট শক্তি দিয়ে ককপিটের দরজা খুলে দেন। এতে দায়িত্বে না থাকা অন্য পাইলটরা ককপিটে ঢুকে উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেন।

এ সময় ক্রু সদস্য ও যাত্রীরা সহকারী পাইলটকে ধরে ফেলেন।

পরে উড়োজাহাজটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। যাত্রী ও ক্রুদের সবাইকে নিরাপদে বের করে আনা হয়।

প্রস্তাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যাটর্নি জেনারেলের ৩ অক্টোবরের ঘোষণার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, তদন্তে সহকারী পাইলটের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের প্রস্তাবে ক্যাপ্টেন মাচ্ছারের পাশাপাশি দায়িত্বে না থাকা পাইলট, কেবিন ক্রু ও যাত্রীদেরও প্রশংসা করা হয়েছে। উড়োজাহাজটি নিরাপদে অবতরণ করাতে তাদের ভূমিকার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবে হামলার ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তার ওপর হামলা হিসেবে নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে। তদন্তের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে অবহিত রাখার কথাও বলা হয়েছে।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের শারীরিক অবস্থার ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। তার পরিবার, চিকিৎসক ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে দূতাবাস।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দূতাবাস জানায়, ক্যাপ্টেন স্মিত ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। তার পরিবারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তার দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে প্রার্থনার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

এর আগে আবুধাবির বিএপিএস হিন্দু মন্দিরে ক্যাপ্টেন স্মিতের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। তার দ্রুত সুস্থতা কামনায় ঐতিহ্যবাহী অভিষেক অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হয়। সেখানে সাধু, সম্প্রদায়ের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকেরা অংশ নেন।

৩০ সেপ্টেম্বরের ওই ঘটনায় ক্যাপ্টেন মাচ্ছার গুরুতর আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, উড়োজাহাজটি ভূপাতিত করার উদ্দেশ্যে সহকারী পাইলট তার ওপর হামলা চালিয়েছিলেন।

গুরুতর আহত অবস্থায়ও মাচ্ছার ককপিটের দরজা খুলে দেন। এতে কেবিন ক্রু ও যাত্রীরা ককপিটে ঢুকে হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে নেন। পরে উড়োজাহাজটি সৌদি আরবের দিকে ঘুরিয়ে জরুরি অবতরণ করানো হয়।

ঘটনার পর তার সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তা ও নেতারা। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমানি সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামিকে আটক করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ককপিটে হামলার পর ইসরায়েল যুদ্ধবিমান প্রস্তুত রেখেছিল। উড়োজাহাজটি তেল আবিবের দিকে এগিয়ে গেলে সেটিকে গুলি করে ভূপাতিত করার প্রস্তুতিও ছিল।

৩০ সেপ্টেম্বর ফ্লাইটটি দুবাই থেকে তেল আবিবের দিকে যাওয়ার সময় সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামি ক্যাপ্টেন মাচ্ছারের ওপর হামলা করেন। এরপর উড়োজাহাজটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। এতে ইসরায়েলে উড়োজাহাজ ছিনতাই বা হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়।

ইসরায়েলি বিমানবাহিনী রেডিওতে ককপিটের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পায়নি। পরে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং যুদ্ধবিমান আকাশে পাঠানো হয়। একই সময় ইসরায়েলের আকাশসীমাও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পরে কর্মকর্তারা নিশ্চিত হন, উড়োজাহাজটি সৌদি আরবের দিকে ঘুরে গেছে এবং জরুরি অবতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরপর ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো ফিরিয়ে নেওয়া হয়। সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, সৌদি আরবও যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছিল।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই ফ্লাইটে হামলার জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে ইরানকে দায়ী মনে করেন।

হামলার পর উড়োজাহাজটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। পরে জরুরি সংকেত পাঠিয়ে গতিপথ পরিবর্তন করা হয় এবং সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করা হয়। উড়োজাহাজে থাকা সবাই নিরাপদে নেমে আসেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

তুরস্ক গেলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

সন্ত্রাসী হামলা ঠেকানো ভারতীয় পাইলট স্মিতকে সম্মান জানাবে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ১০:৩৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে সম্মান জানানোর প্রস্তাব আনা হয়েছে। উড়োজাহাজে সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা ঠেকিয়ে যাত্রীদের জীবন রক্ষায় ভূমিকার জন্য তাকে সম্মান জানাতে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে উড়োজাহাজের ক্রু ও যাত্রীদেরও স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই নিউজ জানায়, ৫ অক্টোবর মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জশ গটহাইমার, ডন বেকন ও মাইকেল ম্যাককল প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। পরে এটি প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটিতে পাঠানো হয়।

প্রস্তাবে বলা হয়, ৩০ সেপ্টেম্বর দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের উদ্দেশে উড়াল দেয় ফ্লাইদুবাইয়ের ১০৭৩ নম্বর ফ্লাইট।

উড়োজাহাজটিতে প্রায় ১৭৪ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজন মার্কিন নাগরিক ও ২৭জন শিশু ছিল।

উড্ডয়নের পর সহকারী পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের ওপর হামলা করেন। জরুরি অবস্থায় ব্যবহারের কুঠার দিয়ে তাকে আঘাত করে উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

এতে ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে উড়োজাহাজটি ১৬ হাজার ফুটের বেশি নিচে নেমে যায়।

গুরুতর আহত হওয়ার পরও মাচ্ছার হামলাকারীকে প্রতিহত করেন। পরে নিজের অবশিষ্ট শক্তি দিয়ে ককপিটের দরজা খুলে দেন। এতে দায়িত্বে না থাকা অন্য পাইলটরা ককপিটে ঢুকে উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেন।

এ সময় ক্রু সদস্য ও যাত্রীরা সহকারী পাইলটকে ধরে ফেলেন।

পরে উড়োজাহাজটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। যাত্রী ও ক্রুদের সবাইকে নিরাপদে বের করে আনা হয়।

প্রস্তাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যাটর্নি জেনারেলের ৩ অক্টোবরের ঘোষণার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, তদন্তে সহকারী পাইলটের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের প্রস্তাবে ক্যাপ্টেন মাচ্ছারের পাশাপাশি দায়িত্বে না থাকা পাইলট, কেবিন ক্রু ও যাত্রীদেরও প্রশংসা করা হয়েছে। উড়োজাহাজটি নিরাপদে অবতরণ করাতে তাদের ভূমিকার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবে হামলার ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তার ওপর হামলা হিসেবে নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে। তদন্তের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে অবহিত রাখার কথাও বলা হয়েছে।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের শারীরিক অবস্থার ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। তার পরিবার, চিকিৎসক ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে দূতাবাস।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দূতাবাস জানায়, ক্যাপ্টেন স্মিত ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। তার পরিবারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তার দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে প্রার্থনার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

এর আগে আবুধাবির বিএপিএস হিন্দু মন্দিরে ক্যাপ্টেন স্মিতের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। তার দ্রুত সুস্থতা কামনায় ঐতিহ্যবাহী অভিষেক অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হয়। সেখানে সাধু, সম্প্রদায়ের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকেরা অংশ নেন।

৩০ সেপ্টেম্বরের ওই ঘটনায় ক্যাপ্টেন মাচ্ছার গুরুতর আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, উড়োজাহাজটি ভূপাতিত করার উদ্দেশ্যে সহকারী পাইলট তার ওপর হামলা চালিয়েছিলেন।

গুরুতর আহত অবস্থায়ও মাচ্ছার ককপিটের দরজা খুলে দেন। এতে কেবিন ক্রু ও যাত্রীরা ককপিটে ঢুকে হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে নেন। পরে উড়োজাহাজটি সৌদি আরবের দিকে ঘুরিয়ে জরুরি অবতরণ করানো হয়।

ঘটনার পর তার সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তা ও নেতারা। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমানি সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামিকে আটক করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ককপিটে হামলার পর ইসরায়েল যুদ্ধবিমান প্রস্তুত রেখেছিল। উড়োজাহাজটি তেল আবিবের দিকে এগিয়ে গেলে সেটিকে গুলি করে ভূপাতিত করার প্রস্তুতিও ছিল।

৩০ সেপ্টেম্বর ফ্লাইটটি দুবাই থেকে তেল আবিবের দিকে যাওয়ার সময় সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামি ক্যাপ্টেন মাচ্ছারের ওপর হামলা করেন। এরপর উড়োজাহাজটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। এতে ইসরায়েলে উড়োজাহাজ ছিনতাই বা হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়।

ইসরায়েলি বিমানবাহিনী রেডিওতে ককপিটের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পায়নি। পরে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং যুদ্ধবিমান আকাশে পাঠানো হয়। একই সময় ইসরায়েলের আকাশসীমাও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পরে কর্মকর্তারা নিশ্চিত হন, উড়োজাহাজটি সৌদি আরবের দিকে ঘুরে গেছে এবং জরুরি অবতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরপর ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো ফিরিয়ে নেওয়া হয়। সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, সৌদি আরবও যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছিল।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই ফ্লাইটে হামলার জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে ইরানকে দায়ী মনে করেন।

হামলার পর উড়োজাহাজটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। পরে জরুরি সংকেত পাঠিয়ে গতিপথ পরিবর্তন করা হয় এবং সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করা হয়। উড়োজাহাজে থাকা সবাই নিরাপদে নেমে আসেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ