ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাওয়াল রাজ এস্টেটের বহিষ্কৃত হিসাবরক্ষক ইনামুলের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ভূমি সংস্কার বোর্ডের আওতাধীন কোর্ট অব ওয়ার্ডস ভাওয়াল রাজ এস্টেটের বহিষ্কৃত হিসাবরক্ষক ইমামুল বাশার ওরফে মিলনের ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের স্টেনোগ্রাফার সোহানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সরকারি কর্মচারী হয়ে অপরাধমূলক অসদাচরণের দায়ে তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ডের সঙ্গে ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এই টাকা কোর্ট অব ওয়ার্ডস ভাওয়াল রাজ এস্টেটের ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া জাল কাগজপত্র তৈরি করে সেটি আসল হিসেবে ব্যবহারের দায়ে তাকে আরো ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে- অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পৃথক দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে। এ ক্ষেত্রে তাকে সাত বছর কারাভোগ করতে হবে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার অভিপ্রায়ে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও জালিয়াতির আশ্রয় নেন।

তিনি ভুয়া জমা ভাউচার তৈরি করে তা খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেন। ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ২৪ জুলাই পর্যন্ত ভূমি সংস্কার বোর্ড থেকে ঋণ আদায় বাবদ মোট ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা পাওয়া যায়। ওই অর্থ ভাওয়াল রাজ এস্টেটের ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন তিনি।

এ ঘটনায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপসহকারী পরিচালক আবুল কালাম ২০২১ সালের ৯ জুন ইমামুল বাশারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০২৩ সালের ২২ মার্চ মামলার তদন্ত শেষে কমিশনের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

পরের বছরের ১১ জুন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালতে ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

ভাওয়াল রাজ এস্টেটের বহিষ্কৃত হিসাবরক্ষক ইনামুলের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৭:২৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ভূমি সংস্কার বোর্ডের আওতাধীন কোর্ট অব ওয়ার্ডস ভাওয়াল রাজ এস্টেটের বহিষ্কৃত হিসাবরক্ষক ইমামুল বাশার ওরফে মিলনের ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের স্টেনোগ্রাফার সোহানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সরকারি কর্মচারী হয়ে অপরাধমূলক অসদাচরণের দায়ে তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ডের সঙ্গে ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এই টাকা কোর্ট অব ওয়ার্ডস ভাওয়াল রাজ এস্টেটের ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া জাল কাগজপত্র তৈরি করে সেটি আসল হিসেবে ব্যবহারের দায়ে তাকে আরো ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে- অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পৃথক দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে। এ ক্ষেত্রে তাকে সাত বছর কারাভোগ করতে হবে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার অভিপ্রায়ে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও জালিয়াতির আশ্রয় নেন।

তিনি ভুয়া জমা ভাউচার তৈরি করে তা খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেন। ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ২৪ জুলাই পর্যন্ত ভূমি সংস্কার বোর্ড থেকে ঋণ আদায় বাবদ মোট ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা পাওয়া যায়। ওই অর্থ ভাওয়াল রাজ এস্টেটের ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন তিনি।

এ ঘটনায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপসহকারী পরিচালক আবুল কালাম ২০২১ সালের ৯ জুন ইমামুল বাশারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০২৩ সালের ২২ মার্চ মামলার তদন্ত শেষে কমিশনের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

পরের বছরের ১১ জুন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালতে ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ