বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার পর থেকেই ধীরে ধীরে চেনা ছন্দ হারিয়েছিলেন ফেলিপে কৌতিনহো। লিভারপুলের হয়ে যে ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ফুটবল বিশ্বে আলো ছড়িয়েছিলেন, একসময়ে জাতীয় দলেও তিনি নিজের জায়গা হারান।
শৈশবে তিনি বেড়ে উঠেছিলেন ভাস্কো দা গামায়, আর অন্যদিকে তার প্রিয় বন্ধু নেইমার জুনিয়র মাতাতেন প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব সান্তোসকে। দীর্ঘ সময় পর আবারও যেন সেই সান্তোসের জার্সিতেই বাঁধতে যাচ্ছে দুজনের নতুন সমীকরণ।
ব্রাজিলিয়ান লিগ ‘ব্রাসিলেইরাও’-তে সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না সান্তোসের। নিজেদের পারফর্ম্যান্স পুনরুজ্জীবিত করতে এবার লিভারপুল ও বার্সেলোনার সাবেক এই প্লে-মেকারকে ফ্রি-এজেন্ট হিসেবে দলে ভিড়িয়েছে ক্লাবটি।
সান্তোসের বর্তমান দুর্দশা কাটানোর মূল দায়িত্ব এখন ৩৪ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের কাঁধে।
তবে কৌতিনিয়োর এই চমকপ্রদ দলবদলের নেপথ্যে রয়েছে নেইমারের এক চরম দুর্ভাগ্যজনক খবর। বার্সেলোনা ও পিএসজির সাবেক এই ফরোয়ার্ড ক্লাবকে পুরোনো সাফল্য ফেরাতে সান্তোসে ফিরেছিলেন ঠিকই, কিন্তু অতি সম্প্রতি ডান উরুর ‘রেকটাস ফেমোরিস’ পেশিতে ‘গ্রেড ২বি’ মাত্রার মারাত্মক চোট পেয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে গেছেন তিনি। বন্ধু মাঠে ফেরায় বিলম্ব থাকায়, দ্রুত ব্যবস্থা হিসেবে অভিজ্ঞ কৌতিনিয়োকেই ভিলা বেলমিরোয় উড়িয়ে আনে সান্তোস কর্তৃপক্ষ।
ইতালিয়ান ফুটবল সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো নিশ্চিত করেছেন, চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত উভয় পক্ষ চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। এবার দেখার বিষয়, শৈশবের বন্ধু নেইমার ফিরলে দুই বন্ধুর রসায়ন সান্তোসকে কতটা উঁচুতে নিয়ে যেতে পারে!
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ



























