ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশ কাজ করছে: হুমায়ুন কবির Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকাবাইচ হবে ১২ সেপ্টেম্বর Logo অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে স্বচ্ছতা ও সংস্কারের অভাব উদ্বেগজনক: সিপিডি Logo ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে: অর্থমন্ত্রী Logo দেশের সব মাদরাসার জন্য বিশেষ নির্দেশনা Logo আপত্তিকর ভিডিও ধারণের পর ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিত তারা, অবশেষে ধরা Logo খলনায়ক ডনের ৭ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি Logo বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: রিজভী Logo আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি দখল করে বিএনপি নেতা বহিষ্কার, এলাকায় মাইকিং করে সর্তক Logo গ্যাস সিলিন্ডার ও বাসভাড়া ফ্রি, নারীদের জন্য থালাপতি বিজয়ের উপহার

আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একমত মুখ্যমন্ত্রী বিজয়, পারান্দুর বিমানবন্দর প্রকল্প বাতিল

চেন্নাইয়ে একটি নতুন বিমানবন্দর তৈরির পরিকল্পনা বাতিল করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়। আগের ক্ষমতাসীন ডিএমকে চেন্নাইয়ের পারান্দুরে একটি বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিল।

কিন্তু বিমানবন্দর প্রকল্পের পরিবেশগত উদ্বেগ এবং চেন্নাইয়ের পারান্দুরে বহু-ফসলি কৃষিজমির ক্ষতির আশঙ্কা জানিয়ে আন্দোলনে নামে সাধারণ মানুষ। তখন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একমত পোষণ করে তাদের পাশে দাড়িয়েছিলেন সি জোসেফ বিজয়। নির্বাচনের আগে তিনি এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে জোরদার প্রচারণাও চালিয়েছিলেন।

গত নির্বাচনে ডিএমকেকে হারিয়ে ক্ষমতায় আসে বিজয়ের দল টিভিকের নেতৃত্বাধীন জোট।

গত মে মাসে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন তামিল সিনেমার সুপারস্টার থালাপতি বিজয়। পারান্দুর বিমানবন্দর প্রকল্প বাতিলের ঘোষণা দিয়ে বিজয় বলেন, ‘আমরা পারান্দুর বিমানবন্দর প্রকল্প বাদ দিচ্ছি। প্রস্তাবিত বিমানবন্দরের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের পাশে আমি দৃঢ়ভাবে আছি।’

তবে বিষয়টি এখানেই শেষ হয়নি।

বিমানবন্দর প্রকল্প নিয়ে এখন ক্ষমতাসীন টিভিকে আর বিরোধী দল ডিএমকের মধ্যে দ্বন্দ্ব চাঙা হয়েছে। ডিএমকে বলছে, রাজ্যের স্বার্থের কথা ভেবেই পারান্দুরে নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছিল। প্রকল্প চূড়ান্ত করার আগে সব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হয়েছিল এবং এই প্রকল্পে কোনো অনিয়ম হয়নি।

ডিএমকে নেতা দুরাইমুরুগান বিজয়কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ডিএমকে-এর আমলে শুরু হওয়া প্রস্তাবিত বিমানবন্দর প্রকল্প নিয়ে সন্দেহ পোষণ না করে বরং আমাদের ফাইলগুলো খুলে দেখা হোক। মুখ্যমন্ত্রী যদি আমাদের ফাইলগুলো না খোলেন, তবে আমরা বিধানসভায় তার বিরুদ্ধে বিশেষাধিকার ক্ষুণ্ণের প্রস্তাব আনব।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা তাকে ফাইলগুলো খোলার অনুমতি দিচ্ছি। তিনি যদি এক সপ্তাহের মধ্যে তা না করেন, তবে মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় ভুল তথ্য দিয়েছেন; তা প্রমাণ করতে বিরোধী দল বিশেষাধিকার ক্ষুণ্ণের প্রস্তাব আনার কথা বিবেচনা করবে।’

বিমানবন্দর প্রকল্প বাতিল করায় ডিএমকে এখন বিজয় সরকারকে উন্নয়ন বিরোধী হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করবে।

বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসার ঠিক পরেই বিজয় সরকার জানিয়েছিল যে, প্রস্তাবিত গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থানটি তারা পুনর্মূল্যায়ন করবে। গত জুন মাসে, টিভিকে নেতা সিটিআর নির্মল কুমার ঘোষণা করেছিলেন যে, স্থানীয় জলাশয় এবং উর্বর জমি রক্ষা করার লক্ষ্যে বিকল্প কোনো স্থান খুঁজে বের করতে প্রস্তাবিত প্রকল্পটির একটি ব্যাপক পর্যালোচনা চলছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশ কাজ করছে: হুমায়ুন কবির

আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একমত মুখ্যমন্ত্রী বিজয়, পারান্দুর বিমানবন্দর প্রকল্প বাতিল

আপডেট সময় ০৪:০৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

চেন্নাইয়ে একটি নতুন বিমানবন্দর তৈরির পরিকল্পনা বাতিল করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়। আগের ক্ষমতাসীন ডিএমকে চেন্নাইয়ের পারান্দুরে একটি বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিল।

কিন্তু বিমানবন্দর প্রকল্পের পরিবেশগত উদ্বেগ এবং চেন্নাইয়ের পারান্দুরে বহু-ফসলি কৃষিজমির ক্ষতির আশঙ্কা জানিয়ে আন্দোলনে নামে সাধারণ মানুষ। তখন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একমত পোষণ করে তাদের পাশে দাড়িয়েছিলেন সি জোসেফ বিজয়। নির্বাচনের আগে তিনি এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে জোরদার প্রচারণাও চালিয়েছিলেন।

গত নির্বাচনে ডিএমকেকে হারিয়ে ক্ষমতায় আসে বিজয়ের দল টিভিকের নেতৃত্বাধীন জোট।

গত মে মাসে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন তামিল সিনেমার সুপারস্টার থালাপতি বিজয়। পারান্দুর বিমানবন্দর প্রকল্প বাতিলের ঘোষণা দিয়ে বিজয় বলেন, ‘আমরা পারান্দুর বিমানবন্দর প্রকল্প বাদ দিচ্ছি। প্রস্তাবিত বিমানবন্দরের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের পাশে আমি দৃঢ়ভাবে আছি।’

তবে বিষয়টি এখানেই শেষ হয়নি।

বিমানবন্দর প্রকল্প নিয়ে এখন ক্ষমতাসীন টিভিকে আর বিরোধী দল ডিএমকের মধ্যে দ্বন্দ্ব চাঙা হয়েছে। ডিএমকে বলছে, রাজ্যের স্বার্থের কথা ভেবেই পারান্দুরে নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছিল। প্রকল্প চূড়ান্ত করার আগে সব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হয়েছিল এবং এই প্রকল্পে কোনো অনিয়ম হয়নি।

ডিএমকে নেতা দুরাইমুরুগান বিজয়কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ডিএমকে-এর আমলে শুরু হওয়া প্রস্তাবিত বিমানবন্দর প্রকল্প নিয়ে সন্দেহ পোষণ না করে বরং আমাদের ফাইলগুলো খুলে দেখা হোক। মুখ্যমন্ত্রী যদি আমাদের ফাইলগুলো না খোলেন, তবে আমরা বিধানসভায় তার বিরুদ্ধে বিশেষাধিকার ক্ষুণ্ণের প্রস্তাব আনব।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা তাকে ফাইলগুলো খোলার অনুমতি দিচ্ছি। তিনি যদি এক সপ্তাহের মধ্যে তা না করেন, তবে মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় ভুল তথ্য দিয়েছেন; তা প্রমাণ করতে বিরোধী দল বিশেষাধিকার ক্ষুণ্ণের প্রস্তাব আনার কথা বিবেচনা করবে।’

বিমানবন্দর প্রকল্প বাতিল করায় ডিএমকে এখন বিজয় সরকারকে উন্নয়ন বিরোধী হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করবে।

বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসার ঠিক পরেই বিজয় সরকার জানিয়েছিল যে, প্রস্তাবিত গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থানটি তারা পুনর্মূল্যায়ন করবে। গত জুন মাসে, টিভিকে নেতা সিটিআর নির্মল কুমার ঘোষণা করেছিলেন যে, স্থানীয় জলাশয় এবং উর্বর জমি রক্ষা করার লক্ষ্যে বিকল্প কোনো স্থান খুঁজে বের করতে প্রস্তাবিত প্রকল্পটির একটি ব্যাপক পর্যালোচনা চলছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ