ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোহাম্মদপুরে মোবাইল মেকানিককে কুপিয়ে হত্যা, আসামি কারাগারে

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মোবাইল মেকানিক জিহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার মো. পারভেজকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (২১ অগাস্ট) বিকেলে তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. আক্কেল আলীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট রাতে জিহাদ ও তার বন্ধু নিরবকে নাশতা খাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান আসামি জাহিদ। পরে তাদের মোহাম্মদপুর থানার রায়েরবাজার ইদ্রিস খান সড়কের নূরজাহানের বাড়ির তৃতীয় তলার একটি টিনশেড কক্ষে নেওয়া হয়।

সেখানে আগে থেকে থাকা অন্য আসামিরা তাদের ঘিরে ফেলেন।

পূর্ব শত্রুতার জেরে বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও চাপাতির উল্টো পিঠ দিয়ে জিহাদ ও নিরবকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। একপর্যায়ে তাদের হাত ভেঙে দেওয়া হয় এবং জিহাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মারধরের পর জিহাদ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৮ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে পারভেজ তাকে অটোরিকশায় করে বাসার সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।

পরে স্বজনরা জিহাদকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উত্তরা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় জিহাদের বাবা মো. মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলা দায়েরের পর ২০ আগস্ট রায়েরবাজার হাসেমখান রোডের মেরিটাইমসের সামনে থেকে পারভেজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ সময় তার কাছ থেকে নিহত জিহাদের ব্যবহৃত কালো রঙের ‘Poco X3 Pro’ মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, পারভেজের বিরুদ্ধে এর আগেও হাজারীবাগ ও মোহাম্মপুর থানায় হত্যা চেষ্টা ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

মোহাম্মদপুরে মোবাইল মেকানিককে কুপিয়ে হত্যা, আসামি কারাগারে

আপডেট সময় ০৬:০৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মোবাইল মেকানিক জিহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার মো. পারভেজকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (২১ অগাস্ট) বিকেলে তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. আক্কেল আলীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট রাতে জিহাদ ও তার বন্ধু নিরবকে নাশতা খাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান আসামি জাহিদ। পরে তাদের মোহাম্মদপুর থানার রায়েরবাজার ইদ্রিস খান সড়কের নূরজাহানের বাড়ির তৃতীয় তলার একটি টিনশেড কক্ষে নেওয়া হয়।

সেখানে আগে থেকে থাকা অন্য আসামিরা তাদের ঘিরে ফেলেন।

পূর্ব শত্রুতার জেরে বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও চাপাতির উল্টো পিঠ দিয়ে জিহাদ ও নিরবকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। একপর্যায়ে তাদের হাত ভেঙে দেওয়া হয় এবং জিহাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মারধরের পর জিহাদ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৮ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে পারভেজ তাকে অটোরিকশায় করে বাসার সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।

পরে স্বজনরা জিহাদকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উত্তরা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় জিহাদের বাবা মো. মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলা দায়েরের পর ২০ আগস্ট রায়েরবাজার হাসেমখান রোডের মেরিটাইমসের সামনে থেকে পারভেজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ সময় তার কাছ থেকে নিহত জিহাদের ব্যবহৃত কালো রঙের ‘Poco X3 Pro’ মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, পারভেজের বিরুদ্ধে এর আগেও হাজারীবাগ ও মোহাম্মপুর থানায় হত্যা চেষ্টা ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ