ঢাকা ০২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভ্যুত্থানের সময় জেল থেকে পালানো ১৬৬ জনের কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না

২০২৪ সালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে গিয়েছিল ২২৪৭ জন বন্দী। এরমধ্যে ১৫৫৭ জনকে গ্রেপ্তার করে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর পুরান ঢাকায় অবস্থিত কারা অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কারা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।

তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় জেল থেকে বেরিয়ে এখনো পলাতক রয়েছে ৬৯০ জন বন্দী। এর মধ্যে শুধুমাত্র নরসিংদী কারাগার থেকে ৮২৬ জন পালালেও ১৬৬ জনের কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

কারাগারে মাদক ঢুকছে এবং কারারক্ষীরা এসব কাজে সহায়তা করছেন এ বিষয়ে করা প্রশ্নে বলেন, ‘মাদক এবং আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি।

মাদক সংক্রান্ত অপরাধে কেউ যদি জড়িয়ে পড়ে তাহলে তাদের জন্য আমরা অত্যন্ত কঠোর ছিলাম।’

তিনি জানান, গত দুই বছরে এসব কারণে ২১ জনকে বাধ্যতামূলক অবসর, ৮২ জনকে চাকরিচুত করা হয়েছে। ৮৭০ জনের বিরুদ্ধে নানামুখে বিভাগীয় মামলা ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং ছোটখাটো অপরাধের কারণে ৩০৩ জনকে প্রশাসনিক কারণে বিভিন্ন বিভাগের বাইরে প্রেরণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো কারারক্ষী যদি মাদক সংক্রান্ত কোনো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে তাকে আমরা ফৌজদারি মামলা দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করছি।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

অভ্যুত্থানের সময় জেল থেকে পালানো ১৬৬ জনের কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না

আপডেট সময় ০১:২৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

২০২৪ সালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে গিয়েছিল ২২৪৭ জন বন্দী। এরমধ্যে ১৫৫৭ জনকে গ্রেপ্তার করে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর পুরান ঢাকায় অবস্থিত কারা অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কারা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।

তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় জেল থেকে বেরিয়ে এখনো পলাতক রয়েছে ৬৯০ জন বন্দী। এর মধ্যে শুধুমাত্র নরসিংদী কারাগার থেকে ৮২৬ জন পালালেও ১৬৬ জনের কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

কারাগারে মাদক ঢুকছে এবং কারারক্ষীরা এসব কাজে সহায়তা করছেন এ বিষয়ে করা প্রশ্নে বলেন, ‘মাদক এবং আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি।

মাদক সংক্রান্ত অপরাধে কেউ যদি জড়িয়ে পড়ে তাহলে তাদের জন্য আমরা অত্যন্ত কঠোর ছিলাম।’

তিনি জানান, গত দুই বছরে এসব কারণে ২১ জনকে বাধ্যতামূলক অবসর, ৮২ জনকে চাকরিচুত করা হয়েছে। ৮৭০ জনের বিরুদ্ধে নানামুখে বিভাগীয় মামলা ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং ছোটখাটো অপরাধের কারণে ৩০৩ জনকে প্রশাসনিক কারণে বিভিন্ন বিভাগের বাইরে প্রেরণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো কারারক্ষী যদি মাদক সংক্রান্ত কোনো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে তাকে আমরা ফৌজদারি মামলা দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করছি।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ