ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo আকর্ষণীয় ব্যক্তিদের আলাদা করে তোলে যে অভ্যাস Logo তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর দিল্লি গেলেন ভারতীয় হাইকমিশনার Logo প্রধানমন্ত্রীকে কাশ্মীরি ‘কালো’ শাল : ফ্যাশন নাকি ডিপ্লোম্যাসির চতুর চাল! Logo ফিলিপাইনে ভারী বৃষ্টিপাতে ১৬ জনের প্রাণহানি Logo মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ‘জাতির মূল্যবান বন্ধু’ বললেন তারেক রহমান Logo গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ, আইনি ব্যবস্থার প্রস্তুতি মেসির আইনজীবীদের Logo বাংলাদেশ সফরে আসছেন ভিসার এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট Logo দেশের সব ব্যাংককে সতর্ক করলো বাংলাদেশ ব্যাংক Logo ‎দেশের রিজার্ভ আরও বাড়ল Logo ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে: রেলমন্ত্রী

জুলাইয়ে ৯০ কোটি মানুষের বসবাসের অঞ্চলে রেকর্ড তাপমাত্রা

২০২৬ সালে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ৯০ কোটি মানুষ ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ জুলাই মাস অতিবাহিত করেছেন। এসব অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে সাহেল, মধ্য আমেরিকা, ফ্রান্স ও স্পেন।

কোপার্নিকাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

কোপার্নিকাসের ইআরএ৫ জলবায়ু মডেলের কোটি কোটি তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, রেকর্ড রাখা শুরু হওয়ার পর থেকে ৩৩টি দেশে জুলাই মাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল এ বছর।

ফ্রান্স ও স্পেনের মতো পর্যাপ্ত সম্পদ থাকা কয়েকটি দেশের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থাও স্বাধীনভাবে রেকর্ড তাপমাত্রার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এ বিষয়ে মেতেও-ফ্রান্স এবং স্পেনের আবহাওয়া সংস্থা এইমেটের বিশ্লেষণ রয়েছে।

তবে অনেক নিম্নআয়ের দেশ বিস্তারিত জলবায়ু তথ্য প্রকাশ করে না।

এ কারণে এএফপি ইউরোপীয় কোপার্নিকাস কর্মসূচির তথ্য স্বাধীনভাবে বিশ্লেষণ করে বৈশ্বিক পরিস্থিতির একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরেছে।

এ তথ্যভাণ্ডারে বিভিন্ন দেশের পরিচালিত উপগ্রহের পর্যবেক্ষণ, স্থল, সমুদ্র ও আকাশে থাকা আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্য এবং জলবায়ু মডেল একত্র করা হয়েছে। এতে ১৯৭০ সাল থেকে প্রতি ঘণ্টার বৈশ্বিক তথ্য পাওয়া যায়।

প্রভাবিত এলাকাগুলোতে বসবাসকারী প্রায় ৯০ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ৪০ কোটি আফ্রিকায় বসবাস করেন। তাদের বেশিরভাগই সাহেল অঞ্চলের বাসিন্দা।

এ অঞ্চলের ১০টি দেশে জুলাই মাসের তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। এর মধ্যে পশ্চিমের মৌরিতানিয়া, নাইজার ও বুরকিনা ফাসো এবং পূর্বের সুদান, কেনিয়া ও ইথিওপিয়া রয়েছে।

নিরক্ষরেখার কাছাকাছি দেশগুলোতে তাপমাত্রার ওঠানামা ও অস্বাভাবিকতা সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুর দেশগুলোর তুলনায় কম হয়।

তারপরও চাদ ও সুদানের মতো দেশগুলোতে জুলাইয়ের তাপমাত্রা ১৯৮১-২০১০ সালের গড়ের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ছিল।

ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন (ডব্লিউডব্লিউএ) নেটওয়ার্কের বিজ্ঞানীরা জানুয়ারিতে সতর্ক করে বলেছেন, ২০১৫ সালের পর থেকে চরম তাপপ্রবাহের ঘটনা প্রায় ১০ গুণ বেশি সম্ভাবনাময় হয়ে উঠেছে। মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তারা।

সাহেলভুক্ত দেশগুলো তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে। এরই মধ্যে এসব দেশের অনেকগুলো সশস্ত্র সংঘাত, খাদ্যসংকট ও ব্যাপক দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়ছে।

প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এল নিনো জলবায়ু পরিস্থিতি জুনে শুরু হয়েছে। চলতি বছরের শেষ দিকে এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে মধ্য আমেরিকা ও উত্তর দক্ষিণ আমেরিকাজুড়ে নজিরবিহীন তাপমাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এ পরিস্থিতি।

মেক্সিকো থেকে উত্তর ব্রাজিল পর্যন্ত এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল থেকে গুয়ানা উচ্চভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় প্রায় ১১ কোটি মানুষ জুলাইয়ে রেকর্ড সর্বোচ্চ তাপমাত্রার মুখোমুখি হয়েছেন।

‘ড্রাই করিডোর’ নামে পরিচিত অঞ্চলের এল সালভাদর, নিকারাগুয়া ও হন্ডুরাসে জুন ও জুলাই—উভয় মাসেই মাসিক তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে। এতে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) গত সপ্তাহে জানিয়েছে, খাদ্যসংকটের তুলনামূলক বৃদ্ধির দিক থেকে মধ্য আমেরিকাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল হতে পারে।

ক্যারিবীয় অঞ্চলসহ সংস্থাটি ধারণা করছে, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ আরও ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ খাদ্যসংকটে পড়তে পারেন।

ইউরোপের প্রায় ১২ কোটি মানুষ এমন অঞ্চলে বসবাস করেন, যেখানে ২০২৬ সালের জুলাই ছিল রেকর্ড রাখা শুরুর পর থেকে সবচেয়ে উষ্ণ জুলাই।

এ রেকর্ড মূলত দক্ষিণ ব্রিটেনের, পশ্চিম ফ্রান্স এবং উত্তর ও পূর্ব স্পেনে হয়েছে।

ফ্রান্সে গড় তাপমাত্রা ১৯৯১-২০২০ সালের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে ৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। আর ১৯৯১-২০২০ সালের এই সময়কালও ১৮৫০-১৯০০ সালের প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে উষ্ণ।

ফ্রান্স ও স্পেনে খরার রেকর্ড মাত্রাও হয়েছে। এতে ভয়াবহ দাবানল আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

জুলাইয়ের শেষ দিকে ফ্রান্সের জিরন্দ বিভাগে ভয়াবহ দাবানলে প্রায় ৪২ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে যায়। এ সময় ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষকে সরিয়ে নিতে হয়।

একই সময়ে মাদ্রিদের কাছে আভিলা প্রদেশে স্পেনের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দাবানলে প্রায় ৪৪ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে যায়।

এ ছাড়া অপেক্ষাকৃত ছোট ও বিচ্ছিন্ন আরও কিছু অঞ্চলে জুলাইয়ে নজিরবিহীন তাপমাত্রা দেখা গেছে। এসব অঞ্চলে সম্মিলিতভাবে ২৫ কোটির বেশি মানুষ বসবাস করেন। এর মধ্যে রয়েছে চীনের সিচুয়ান প্রদেশ, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইওমিং ও কলোরাডো অঙ্গরাজ্য এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও বোর্নিও দ্বীপ।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

আকর্ষণীয় ব্যক্তিদের আলাদা করে তোলে যে অভ্যাস

জুলাইয়ে ৯০ কোটি মানুষের বসবাসের অঞ্চলে রেকর্ড তাপমাত্রা

আপডেট সময় ০৮:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

২০২৬ সালে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ৯০ কোটি মানুষ ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ জুলাই মাস অতিবাহিত করেছেন। এসব অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে সাহেল, মধ্য আমেরিকা, ফ্রান্স ও স্পেন।

কোপার্নিকাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

কোপার্নিকাসের ইআরএ৫ জলবায়ু মডেলের কোটি কোটি তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, রেকর্ড রাখা শুরু হওয়ার পর থেকে ৩৩টি দেশে জুলাই মাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল এ বছর।

ফ্রান্স ও স্পেনের মতো পর্যাপ্ত সম্পদ থাকা কয়েকটি দেশের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থাও স্বাধীনভাবে রেকর্ড তাপমাত্রার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এ বিষয়ে মেতেও-ফ্রান্স এবং স্পেনের আবহাওয়া সংস্থা এইমেটের বিশ্লেষণ রয়েছে।

তবে অনেক নিম্নআয়ের দেশ বিস্তারিত জলবায়ু তথ্য প্রকাশ করে না।

এ কারণে এএফপি ইউরোপীয় কোপার্নিকাস কর্মসূচির তথ্য স্বাধীনভাবে বিশ্লেষণ করে বৈশ্বিক পরিস্থিতির একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরেছে।

এ তথ্যভাণ্ডারে বিভিন্ন দেশের পরিচালিত উপগ্রহের পর্যবেক্ষণ, স্থল, সমুদ্র ও আকাশে থাকা আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্য এবং জলবায়ু মডেল একত্র করা হয়েছে। এতে ১৯৭০ সাল থেকে প্রতি ঘণ্টার বৈশ্বিক তথ্য পাওয়া যায়।

প্রভাবিত এলাকাগুলোতে বসবাসকারী প্রায় ৯০ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ৪০ কোটি আফ্রিকায় বসবাস করেন। তাদের বেশিরভাগই সাহেল অঞ্চলের বাসিন্দা।

এ অঞ্চলের ১০টি দেশে জুলাই মাসের তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। এর মধ্যে পশ্চিমের মৌরিতানিয়া, নাইজার ও বুরকিনা ফাসো এবং পূর্বের সুদান, কেনিয়া ও ইথিওপিয়া রয়েছে।

নিরক্ষরেখার কাছাকাছি দেশগুলোতে তাপমাত্রার ওঠানামা ও অস্বাভাবিকতা সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুর দেশগুলোর তুলনায় কম হয়।

তারপরও চাদ ও সুদানের মতো দেশগুলোতে জুলাইয়ের তাপমাত্রা ১৯৮১-২০১০ সালের গড়ের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ছিল।

ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন (ডব্লিউডব্লিউএ) নেটওয়ার্কের বিজ্ঞানীরা জানুয়ারিতে সতর্ক করে বলেছেন, ২০১৫ সালের পর থেকে চরম তাপপ্রবাহের ঘটনা প্রায় ১০ গুণ বেশি সম্ভাবনাময় হয়ে উঠেছে। মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তারা।

সাহেলভুক্ত দেশগুলো তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে। এরই মধ্যে এসব দেশের অনেকগুলো সশস্ত্র সংঘাত, খাদ্যসংকট ও ব্যাপক দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়ছে।

প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এল নিনো জলবায়ু পরিস্থিতি জুনে শুরু হয়েছে। চলতি বছরের শেষ দিকে এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে মধ্য আমেরিকা ও উত্তর দক্ষিণ আমেরিকাজুড়ে নজিরবিহীন তাপমাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এ পরিস্থিতি।

মেক্সিকো থেকে উত্তর ব্রাজিল পর্যন্ত এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল থেকে গুয়ানা উচ্চভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় প্রায় ১১ কোটি মানুষ জুলাইয়ে রেকর্ড সর্বোচ্চ তাপমাত্রার মুখোমুখি হয়েছেন।

‘ড্রাই করিডোর’ নামে পরিচিত অঞ্চলের এল সালভাদর, নিকারাগুয়া ও হন্ডুরাসে জুন ও জুলাই—উভয় মাসেই মাসিক তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে। এতে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) গত সপ্তাহে জানিয়েছে, খাদ্যসংকটের তুলনামূলক বৃদ্ধির দিক থেকে মধ্য আমেরিকাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল হতে পারে।

ক্যারিবীয় অঞ্চলসহ সংস্থাটি ধারণা করছে, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ আরও ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ খাদ্যসংকটে পড়তে পারেন।

ইউরোপের প্রায় ১২ কোটি মানুষ এমন অঞ্চলে বসবাস করেন, যেখানে ২০২৬ সালের জুলাই ছিল রেকর্ড রাখা শুরুর পর থেকে সবচেয়ে উষ্ণ জুলাই।

এ রেকর্ড মূলত দক্ষিণ ব্রিটেনের, পশ্চিম ফ্রান্স এবং উত্তর ও পূর্ব স্পেনে হয়েছে।

ফ্রান্সে গড় তাপমাত্রা ১৯৯১-২০২০ সালের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে ৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। আর ১৯৯১-২০২০ সালের এই সময়কালও ১৮৫০-১৯০০ সালের প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে উষ্ণ।

ফ্রান্স ও স্পেনে খরার রেকর্ড মাত্রাও হয়েছে। এতে ভয়াবহ দাবানল আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

জুলাইয়ের শেষ দিকে ফ্রান্সের জিরন্দ বিভাগে ভয়াবহ দাবানলে প্রায় ৪২ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে যায়। এ সময় ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষকে সরিয়ে নিতে হয়।

একই সময়ে মাদ্রিদের কাছে আভিলা প্রদেশে স্পেনের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দাবানলে প্রায় ৪৪ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে যায়।

এ ছাড়া অপেক্ষাকৃত ছোট ও বিচ্ছিন্ন আরও কিছু অঞ্চলে জুলাইয়ে নজিরবিহীন তাপমাত্রা দেখা গেছে। এসব অঞ্চলে সম্মিলিতভাবে ২৫ কোটির বেশি মানুষ বসবাস করেন। এর মধ্যে রয়েছে চীনের সিচুয়ান প্রদেশ, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইওমিং ও কলোরাডো অঙ্গরাজ্য এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও বোর্নিও দ্বীপ।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস