ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাগরপুরের কৃতি সন্তান আমিনুর রহমান আর নেই

টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা গ্রামের সুপরিচিত, সদালাপী, সমাজসেবক ও সজ্জন ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ আমিনুর রহমান (নান্টু ভাই) আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

আজ ১৯ জুলাই  রবিবার সকালে ঢাকার কাফরুল থানার অন্তর্গত ইব্রাহিমপুরস্থ নিজ বাসভবনে আনুমানিক ৭৫ বছর বয়সে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।  তাঁর এই আকস্মিক প্রস্থানে শুধু তাঁর পরিবারই নয়, সমগ্র গয়হাটা গ্রাম ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মরহুমের জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল তাঁর নিঃস্বার্থ মানবিকতা। তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানোটাই জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা। গয়হাটা গ্রামের সাধারণ মানুষ নানা সমস্যায় ও সংকটে সবসময় তাঁর কাছে ছুটে আসতেন। তিনি যথাসাধ্য পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে পরম মমতায় তাঁদের পাশে থাকতেন। তাঁর বাড়ির দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল। গ্রামের সামাজিক ও পারিবারিক যেকোনো বিষয়ে তাঁর প্রাজ্ঞ মতামতকে সবাই গভীর গুরুত্ব দিতেন। কোনো বিরোধ বা সংকটে তিনি ধৈর্য ও প্রজ্ঞা দিয়ে মীমাংসা করতেন। গয়হাটার মানুষের কাছে তিনি ছিলেন এক বিশ্বস্ত অভিভাবক।

আমিনুর রহমানের মৃত্যুতে এলাকায় যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হবার নয়। গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তিরা আক্ষেপ করে বলছেন- এমন নিঃস্বার্থ, বিনয়ী ও ভালো মানুষ আজকাল সত্যিই বিরল। একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তাঁর ধন-সম্পদ বা পদমর্যাদায় নয়, বরং তাঁর চরিত্র ও মানুষের হৃদয়ে রেখে যাওয়া ভালোবাসায়। সেই নিরিখে মরহুম নান্টু ছিলেন এক সফল ও সার্থক মানুষ।

মরহুমের  প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকার কাফরুলের  ইব্রাহিমপুরে। এরপর তাকে তার নিজ গ্রামে গয়হাটায় নেওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাগরপুরের কৃতি সন্তান আমিনুর রহমান আর নেই

আপডেট সময় ০৮:০৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা গ্রামের সুপরিচিত, সদালাপী, সমাজসেবক ও সজ্জন ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ আমিনুর রহমান (নান্টু ভাই) আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

আজ ১৯ জুলাই  রবিবার সকালে ঢাকার কাফরুল থানার অন্তর্গত ইব্রাহিমপুরস্থ নিজ বাসভবনে আনুমানিক ৭৫ বছর বয়সে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।  তাঁর এই আকস্মিক প্রস্থানে শুধু তাঁর পরিবারই নয়, সমগ্র গয়হাটা গ্রাম ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মরহুমের জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল তাঁর নিঃস্বার্থ মানবিকতা। তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানোটাই জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা। গয়হাটা গ্রামের সাধারণ মানুষ নানা সমস্যায় ও সংকটে সবসময় তাঁর কাছে ছুটে আসতেন। তিনি যথাসাধ্য পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে পরম মমতায় তাঁদের পাশে থাকতেন। তাঁর বাড়ির দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল। গ্রামের সামাজিক ও পারিবারিক যেকোনো বিষয়ে তাঁর প্রাজ্ঞ মতামতকে সবাই গভীর গুরুত্ব দিতেন। কোনো বিরোধ বা সংকটে তিনি ধৈর্য ও প্রজ্ঞা দিয়ে মীমাংসা করতেন। গয়হাটার মানুষের কাছে তিনি ছিলেন এক বিশ্বস্ত অভিভাবক।

আমিনুর রহমানের মৃত্যুতে এলাকায় যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হবার নয়। গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তিরা আক্ষেপ করে বলছেন- এমন নিঃস্বার্থ, বিনয়ী ও ভালো মানুষ আজকাল সত্যিই বিরল। একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তাঁর ধন-সম্পদ বা পদমর্যাদায় নয়, বরং তাঁর চরিত্র ও মানুষের হৃদয়ে রেখে যাওয়া ভালোবাসায়। সেই নিরিখে মরহুম নান্টু ছিলেন এক সফল ও সার্থক মানুষ।

মরহুমের  প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকার কাফরুলের  ইব্রাহিমপুরে। এরপর তাকে তার নিজ গ্রামে গয়হাটায় নেওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ