দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পরেও ভারতের পুশইনের চেষ্টার খবরে লালমনিরহাটের সীমান্তজুড়ে উদ্বেগ বিরাজ করছে। এ পরিস্থিতিতে জেলার পাঁচ উপজেলার সীমান্তে নজরদারি জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও বিভিন্ন সময় বিজিবির সঙ্গে পাহারায় অংশ নিচ্ছেন।
লালমনিরহাট-১৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদি ইমাম বলেন, সীমান্তবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সতর্ক রয়েছে বিজিবি। কোনোভাবেই পুশইন করতে দেওয়া হবে না। ভারতের অপচেষ্টাকে রুখে দেওয়া হবে।
শনিবার সকালে কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের লোহাকুচি সীমান্ত এবং আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, সীমান্তজুড়ে টহল ও নজরদারি বাড়িয়েছেন বিজিবির সদস্যরা।
সীমান্তবাসী জানান, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পুশইনের চেষ্টার খবর প্রকাশের পর সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। নিজেদের এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা স্বেচ্ছায় বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন সময় পাহারায় অংশ নিচ্ছেন।
লোহাকুচি সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা রশিদুল ইসলাম বলেন, পুশইনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেক সময় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। যা সীমান্তবাসীর জন্যও উদ্বেগের।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিজিবির এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং নিয়মিত টহল ও নজরদারি চালানো হচ্ছে।
লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, জেলার পাঁচটি উপজেলার সঙ্গেই আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। দেশের অন্যান্য সীমান্তের মতো এখানেও পুশইনের চেষ্টা হয়েছিল। তবে বিজিবি, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় লালমনিরহাট সীমান্ত দিয়ে কাউকে পুশইন করতে দেওয়া হয়নি।
বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ























