ঢাকার যাত্রাবাড়ীর দনিয়া রসুলপুর নগর ভবন এলাকায় এক নারীকে হত্যা করে বাসা থেকে স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান মালামাল লুটের ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের পাশের ফ্ল্যাটে কাজ করা এক নির্মাণ শ্রমিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম ফারুক (২৭)। গতকাল বুধবার বিকেলে যাত্রাবাড়ীর মীরহাজিরবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঁচি এবং লুট হওয়া কিছু মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) যাত্রাবাড়ী থানার বরাতে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী জানান, গত ১১ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানাধীন দনিয়া রসুলপুর নগর ভবন সংলগ্ন একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে শাহিদা আক্তার নামে এক নারীকে হত্যা করা হয়। এসময় বাসা থেকে স্বর্ণালংকার, ইমিটেশন গহনা ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল নিয়ে পালিয়ে যান হত্যাকারী।
এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে পারভীন আক্তার বাদী হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তে ঘটনাস্থলের বিভিন্ন আলামত বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ ফারুককে শনাক্ত করে। পরে তাকে গ্রেফতার করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি এক হাতলবিশিষ্ট কাঁচি উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি এক জোড়া ইমিটেশনের হাতের বালা, তিনটি গলার হার, এক জোড়া পায়ের নূপুর, কিছু বিদেশি টাকা ও ধাতব মুদ্রা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেফতার ফারুক নিহত নারীর পরিবারের পাশের ফ্ল্যাটে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কাজের সুবাদে তিনি বাসার ভেতরের পরিবেশ ও পরিবারের সদস্যদের চলাফেরা সম্পর্কে ধারণা পান। ঘটনার দিন সুযোগ বুঝে বাসায় ঢুকে ধারালো কাঁচি দিয়ে শাহিদাকে হত্যা করেন। পরে আলমারিতে থাকা স্বর্ণালংকার, ইমিটেশন গহনা ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
গ্রেফতার ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন ডিএমপির এ কর্মকর্তা।
বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ























