কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে গলা কেটে হত্যা করেছেন এক রোহিঙ্গা। এ ঘটনায় তার আরেক সন্তান আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। হত্যার পর ঘাতক এহেতাসামুল হক পলাতক রয়েছেন।
নিহতরা হলেন- কুতুপালং ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকের এহেতাসামুল হকের স্ত্রী শহীদ নুর সুফিয়া (৩০) ও তার সন্তান মোহাম্মদ শামীম (৫)। এ ঘটনায় তার বড় সন্তান মো. আফছার বাপ্পীও (১৪) আহত হয়েছেন।
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ হুসাইন জানান, বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উখিয়ার ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি/৬ ব্লকে পারিবারিক কলহের জেরে রোহিঙ্গা এহেতাসামুল হক (৩৭) ও তার স্ত্রী শহীদ নুর সুফিয়ার (৩০) মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে এহেতেসামুল হক ধারালো দা দিয়ে তার স্ত্রী এবং দুই ছেলে শামীম ও বাপ্পীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে গুরুতর জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলে স্ত্রী সুফিয়া এবং ছোট ছেলে শামীম নিহত হয়।
গুরুতর আহত বড় ছেলে মোহাম্মদ আফছার ওরফে বাপ্পীকে স্থানীয় রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত এহেতেসামুল হক পালিয়ে যান।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একই পরিবারের দুই সদস্য নিহতের ঘটনায় মরদেহ আনার জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ





















