ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী Logo বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প করতে চায় সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo শরীফুলে আশা বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ Logo ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তিতে নৌকা বাইচে মুখরিত বুড়িগঙ্গা Logo এক বছর পার হলে নিতে পারবে কলেরার টিকা Logo ছাত্রলীগ নেত্রীর ফেসবুকে ‘বিস্ফোরক মন্তব্য’, কড়া জবাব ছাত্রদলের নেত্রীর Logo কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫ জনের মরদেহ নিতে বেনাপোলে স্বজনের অপেক্ষা Logo পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত ৪৯ Logo জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর শ্রদ্ধা Logo ৬ হাজার রুপির দেনাই কি কঙ্গনার সহশিল্পীর মৃত্যুর কারণ?

মাইক্রোবাস থেকে ছুঁড়ে ফেলা বস্তায় মিলল যুবকের মরদেহ

মাগুরার এক যুবকের বস্তাবন্দি গলাকাটা মরদেহ ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) রাত প্রায় ৮টার দিকে উপজেলার হাটখোলা গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই যুবককে আটক করা হয়েছে।

নিহত রবিউল ইসলাম (৩৫) মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার সিন্দাইন গ্রামের বাসিন্দা এবং গোলাম সারোয়ারের ছেলে। তিনি পেশায় পাওয়ার ট্রিলার চালক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাস বোয়ালমারীর হাটখোলা গ্রামের বটতলা এলাকার একটি নির্জন স্থানে এসে থামে। পরে গাড়ি থেকে একটি বস্তা রাস্তার পাশে ফেলে রেখে দ্রুত সরে যাওয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা এগিয়ে যান।

এ সময় মাইক্রোবাসটি পালানোর চেষ্টা করলে এলাকাবাসী ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। গাড়িতে থাকা কয়েকজন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হন, আর অন্যরা পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয়রা বস্তার মুখ খুলে ভেতরে এক যুবকের মরদেহ দেখতে পান। মরদেহে গলা কাটা এবং শরীরের বিভিন্নস্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আটক দুইজনকে হেফাজতে নেয়। উদ্ধারকৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন বোয়ালমারী উপজেলার আন্দারকোঠা গ্রামের শাহাজাদা এবং একই উপজেলার পংকজ সাহার ছেলে তপু শাহা।

নিহতের মামা মুশা মোল্যা বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে রবিউল ইসলাম একই গ্রামের হাফেজ মোল্যার ছেলে শাহিদুল ইসলামের সঙ্গে বোয়ালমারীর হাটখোলা গ্রামে তার জামাইবাড়িতে যান।

সেখানে একটি পাওনা মোটরসাইকেল নিয়ে শাহিদুলের জামাইয়ের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শাহিদুল রবিউলকে রেখে চলে যান। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় শাহিদুল ইসলাম ও তার জামাই শহিদুল হক পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

বোয়ালমারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আটক দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :

তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী

মাইক্রোবাস থেকে ছুঁড়ে ফেলা বস্তায় মিলল যুবকের মরদেহ

আপডেট সময় ১১:২৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

মাগুরার এক যুবকের বস্তাবন্দি গলাকাটা মরদেহ ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) রাত প্রায় ৮টার দিকে উপজেলার হাটখোলা গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই যুবককে আটক করা হয়েছে।

নিহত রবিউল ইসলাম (৩৫) মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার সিন্দাইন গ্রামের বাসিন্দা এবং গোলাম সারোয়ারের ছেলে। তিনি পেশায় পাওয়ার ট্রিলার চালক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাস বোয়ালমারীর হাটখোলা গ্রামের বটতলা এলাকার একটি নির্জন স্থানে এসে থামে। পরে গাড়ি থেকে একটি বস্তা রাস্তার পাশে ফেলে রেখে দ্রুত সরে যাওয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা এগিয়ে যান।

এ সময় মাইক্রোবাসটি পালানোর চেষ্টা করলে এলাকাবাসী ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। গাড়িতে থাকা কয়েকজন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হন, আর অন্যরা পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয়রা বস্তার মুখ খুলে ভেতরে এক যুবকের মরদেহ দেখতে পান। মরদেহে গলা কাটা এবং শরীরের বিভিন্নস্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আটক দুইজনকে হেফাজতে নেয়। উদ্ধারকৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন বোয়ালমারী উপজেলার আন্দারকোঠা গ্রামের শাহাজাদা এবং একই উপজেলার পংকজ সাহার ছেলে তপু শাহা।

নিহতের মামা মুশা মোল্যা বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে রবিউল ইসলাম একই গ্রামের হাফেজ মোল্যার ছেলে শাহিদুল ইসলামের সঙ্গে বোয়ালমারীর হাটখোলা গ্রামে তার জামাইবাড়িতে যান।

সেখানে একটি পাওনা মোটরসাইকেল নিয়ে শাহিদুলের জামাইয়ের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শাহিদুল রবিউলকে রেখে চলে যান। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় শাহিদুল ইসলাম ও তার জামাই শহিদুল হক পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

বোয়ালমারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আটক দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ