
সংসদ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দুষ্প্রাপ্য দলিলগুলো সংরক্ষণের লক্ষ্যে সেগুলোকে দ্রুত ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছে। এই কার্যক্রম সফল করতে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়েও কমিটি একমত পোষণ করেছে।
পাশাপাশি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পার্লামেন্টারি স্টাডিজের সঙ্গে লাইব্রেরির সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে সংসদ সদস্য ও কর্মকর্তাদের সক্ষমতা উন্নয়ন এবং গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় সংসদ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কমিটির সভাপতি ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকের কার্যক্রমে গতি আনতে এবং বিভিন্ন নীতিমালা পর্যালোচনা করতে দুটি পৃথক সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পার্লামেন্টারি স্টাডিজ সংক্রান্ত আইনের অধীনে পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠনের লক্ষ্যে যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন দিতে কমিটির সদস্য ডা. মো. মাহাবুবুর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি সাব-কমিটি করা হয়।
অপর সাব-কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে নায়াব ইউসুফ আহমেদকে। যারা জাতীয় সংসদ গ্রন্থাগার বিধি-২০১২ এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ গবেষণা নীতিমালা-২০২৩ যাচাই-বাছাই করে আগামী বৈঠকে প্রতিবেদন জমা দেবেন। এছাড়া লাইব্রেরি থেকে প্রকাশিত সংসদ বুলেটিন নিয়মিতভাবে সব সংসদ সদস্য এবং প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের জন্য বিশেষ সুপারিশ করা হয়েছে।
ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য হুইপ এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মীর আহমাদ বিন কাসেম, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, হুমাম কাদের চৌধুরী এবং মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান অংশগ্রহণ করেন।
সভার শুরুতে গত সভার সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা৭১নিউজ/এবি