ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সেন্টমার্টিনে পর্যটনের সময়সীমা ও পর্যটক সংখ্যা পুনর্বিবেচনা করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী Logo সৌদি আরবে হামলায় নিহত নাসরুল্লাহর মরদেহ দেশে ফেরাতে পরিবারের আকুতি Logo সৌদি আরবে বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বললো দূতাবাস Logo মোহাম্মদপুরে ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে ৯টি ককটেল উদ্ধার Logo সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ ও তার স্ত্রীর সম্পদের হিসাব নেবে দুদক Logo বিদেশি বিনিয়োগ টানতে বেসরকারি পুঁজিতে জোর বিশ্বব্যাংকের Logo ইসরায়েলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, হতাহত ২০ Logo ফটিকছড়িতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী ও অসচ্ছলদের আর্থিক সহায়তা Logo দেশের সিনেমা হলের উন্নয়নে পদক্ষেপ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী Logo চাকরি পেতে এআই জানা জরুরি, নিয়োগে বড় পরিবর্তন আনছে টিসিএস

স্যাটেলাইট চিত্রে সৌদি ঘাঁটিতে ধ্বংস হওয়া মার্কিন নজরদারি বিমানের ছবি প্রকাশ

সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ারবেসে গত ২৭ মার্চ ইরানের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নজরদারি বিমান ধ্বংস হওয়ার বিষয়টি এবার উপগ্রহ (স্যাটেলাইট) চিত্রে স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। এয়ারবাসের পক্ষ থেকে সিএনএন-কে সরবরাহ করা নতুন এই কৃত্রিম উপগ্রহের ছবিতে দেখা যাচ্ছে, হামলায় ই-থ্রি সেন্ট্রি (E-3 Sentry) নামক একটি ‌‘আওয়াক্স’ (AWACS) বিমানের মধ্যভাগ বা ফিউজেলেজটি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে আছে। 

নজরদারি বিমানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিচিত এর বিশাল গোলাকার রাডার ডোমটি মাটিতে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। গত ২৯ মার্চ ধারণ করা এই ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানটির আশপাশে বেশ কিছু সামরিক যানবাহনকেও জড়ো হতে দেখা যায়।

মর্মান্তিক এই ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি উপগ্রহ চিত্রটি মার্কিন বাহিনীর সুরক্ষাব্যবস্থা নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে, হামলার দুই দিন পরও ওই একই ঘাঁটিতে আরও দুটি মূল্যবান ই-থ্রি সেন্ট্রি বিমান কোনো ধরনের নিরাপত্তা ছাউনি ছাড়াই খোলা আকাশের নিচে রাখা ছিল। যার মধ্যে একটি বিমান ধ্বংস হওয়া বিমানটির থেকে মাত্র ১ হাজার ৩০০ মিটারেরও কম দূরত্বে অবস্থান করছিল। এ ছাড়া বেশ কিছু রিফুয়েলিং ট্যাঙ্কার এবং ই-টু হকআই (E-2 Hawkeye) নজরদারি বিমানকেও একইভাবে অরক্ষিত অবস্থায় দেখা গেছে। সাধারণত এই ধরনের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বিমানগুলো সম্ভাব্য হামলা থেকে বাঁচাতে বিশেষ হ্যাঙ্গার বা সুরক্ষিত স্থানে রাখার কথা থাকলেও তা করা হয়নি।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য এই ‘আওয়াক্স’ বিমানটি গত কয়েক দশক ধরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করছে। এটি মাটি থেকে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার বর্গমাইল যুদ্ধক্ষেত্রের ওপর নিরবচ্ছিন্ন আকাশপথে নজরদারি চালাতে সক্ষম। ইরানের এই হামলায় এ ধরনের অত্যাধুনিক বিমানের ধ্বংস হওয়াকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

এ বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই ঘটনাটি ওই অঞ্চলে মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: সিএনএন

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :

সেন্টমার্টিনে পর্যটনের সময়সীমা ও পর্যটক সংখ্যা পুনর্বিবেচনা করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী

স্যাটেলাইট চিত্রে সৌদি ঘাঁটিতে ধ্বংস হওয়া মার্কিন নজরদারি বিমানের ছবি প্রকাশ

আপডেট সময় ১১:৩৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ারবেসে গত ২৭ মার্চ ইরানের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নজরদারি বিমান ধ্বংস হওয়ার বিষয়টি এবার উপগ্রহ (স্যাটেলাইট) চিত্রে স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। এয়ারবাসের পক্ষ থেকে সিএনএন-কে সরবরাহ করা নতুন এই কৃত্রিম উপগ্রহের ছবিতে দেখা যাচ্ছে, হামলায় ই-থ্রি সেন্ট্রি (E-3 Sentry) নামক একটি ‌‘আওয়াক্স’ (AWACS) বিমানের মধ্যভাগ বা ফিউজেলেজটি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে আছে। 

নজরদারি বিমানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিচিত এর বিশাল গোলাকার রাডার ডোমটি মাটিতে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। গত ২৯ মার্চ ধারণ করা এই ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানটির আশপাশে বেশ কিছু সামরিক যানবাহনকেও জড়ো হতে দেখা যায়।

মর্মান্তিক এই ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি উপগ্রহ চিত্রটি মার্কিন বাহিনীর সুরক্ষাব্যবস্থা নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে, হামলার দুই দিন পরও ওই একই ঘাঁটিতে আরও দুটি মূল্যবান ই-থ্রি সেন্ট্রি বিমান কোনো ধরনের নিরাপত্তা ছাউনি ছাড়াই খোলা আকাশের নিচে রাখা ছিল। যার মধ্যে একটি বিমান ধ্বংস হওয়া বিমানটির থেকে মাত্র ১ হাজার ৩০০ মিটারেরও কম দূরত্বে অবস্থান করছিল। এ ছাড়া বেশ কিছু রিফুয়েলিং ট্যাঙ্কার এবং ই-টু হকআই (E-2 Hawkeye) নজরদারি বিমানকেও একইভাবে অরক্ষিত অবস্থায় দেখা গেছে। সাধারণত এই ধরনের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বিমানগুলো সম্ভাব্য হামলা থেকে বাঁচাতে বিশেষ হ্যাঙ্গার বা সুরক্ষিত স্থানে রাখার কথা থাকলেও তা করা হয়নি।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য এই ‘আওয়াক্স’ বিমানটি গত কয়েক দশক ধরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করছে। এটি মাটি থেকে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার বর্গমাইল যুদ্ধক্ষেত্রের ওপর নিরবচ্ছিন্ন আকাশপথে নজরদারি চালাতে সক্ষম। ইরানের এই হামলায় এ ধরনের অত্যাধুনিক বিমানের ধ্বংস হওয়াকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

এ বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই ঘটনাটি ওই অঞ্চলে মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: সিএনএন

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ