ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

ফের বন্ধ এক্সিলারেটের টার্মিনাল, বাড়তে পারে গ্যাস সংকট

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) কার্গো সংকটের কারণে মহেশখালীতে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনাল থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

পর্যাপ্ত এলএনজি মজুত না থাকায় বুধবার (১৯ আগস্ট) টার্মিনালটির সরবরাহ পুরোপুরি নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। ফলে বর্তমানে কেবল সামিট গ্রুপের টার্মিনাল থেকেই জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ সচল রয়েছে।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, আজ রাত ৮টা পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট ২১৮ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে এসেছে ১৬২ কোটি ঘনফুট। বাকি ৫৬ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়েছে কেবল সামিটের টার্মিনাল থেকে।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে পড়ায় নতুন কোনো এলএনজিবাহী কার্গো না আসা পর্যন্ত আমদানিকৃত গ্যাসের জন্য একমাত্র সামিটের ওপরই ভরসা করতে হবে। আকস্মিক এই ঘাটতির কারণে সারা দেশে আবাসিক, শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এর আগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এক্সিলারেটের এই টার্মিনালটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সে সময় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছিল মাত্র ১৬৫ কোটি ঘনফুটে। পরবর্তীতে সামিট তাদের টার্মিনাল থেকে ধাপে ধাপে সরবরাহ বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিল।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত?

ফের বন্ধ এক্সিলারেটের টার্মিনাল, বাড়তে পারে গ্যাস সংকট

আপডেট সময় ১১:৩২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) কার্গো সংকটের কারণে মহেশখালীতে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনাল থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

পর্যাপ্ত এলএনজি মজুত না থাকায় বুধবার (১৯ আগস্ট) টার্মিনালটির সরবরাহ পুরোপুরি নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। ফলে বর্তমানে কেবল সামিট গ্রুপের টার্মিনাল থেকেই জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ সচল রয়েছে।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, আজ রাত ৮টা পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট ২১৮ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে এসেছে ১৬২ কোটি ঘনফুট। বাকি ৫৬ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়েছে কেবল সামিটের টার্মিনাল থেকে।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে পড়ায় নতুন কোনো এলএনজিবাহী কার্গো না আসা পর্যন্ত আমদানিকৃত গ্যাসের জন্য একমাত্র সামিটের ওপরই ভরসা করতে হবে। আকস্মিক এই ঘাটতির কারণে সারা দেশে আবাসিক, শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এর আগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এক্সিলারেটের এই টার্মিনালটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সে সময় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছিল মাত্র ১৬৫ কোটি ঘনফুটে। পরবর্তীতে সামিট তাদের টার্মিনাল থেকে ধাপে ধাপে সরবরাহ বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিল।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস