ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিদ্যুৎসংকটে বর্তমান সরকারের দায় নেই, সব আ. লীগের পাপের ফসল : তথ্য উপদেষ্টা Logo ৬৬.৩ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট Logo যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক হামলা চালালে সমান কঠোর জবাব দেবে ইরান Logo স্বার্থ থাকলে ভারতের সঙ্গে এগোবে না বাংলাদেশ: রিজভী Logo ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে কর্মসূচি ঘোষণা করল সরকার Logo চাঁদাবাজির প্রতিবাদে স্পিডবোট বন্ধ, জরুরি চিকিৎসা না পেয়ে ঘাটেই মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু Logo রংপুরে চিড়িয়াখানায় ২৭ তরুণ-তরুণী আটক Logo আরাকান আর্মির হাতে আটক ২৪ জেলেকে ফেরত আনলো বিজিবি Logo চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস ও বিদ্যুতের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই: জোনায়েদ সাকি Logo বাস কাউন্টারে আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৬

আরও এক দেশে সরকার পরিবর্তনের হুমকি ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে উত্তেজনার মধ্যেই এবার নতুন এক দেশে সরকার পরিবর্তনের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরাসরি কিউবায় সরকার পরিবর্তনের হুমকি দেন। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। 

ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে তার প্রশাসনের চলমান সামরিক ও কৌশলগত অভিযান শেষ হওয়ার পরপরই কিউবার বিরুদ্ধে বড় ধরনের পদক্ষেপ শুরু হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘কিউবায় বর্তমানে যা ঘটছে তা সত্যিই আশ্চর্যজনক। তবে আমরা প্রথমে ইরান ইস্যুটি শেষ করতে চাই। কিউবায় আমাদের পদক্ষেপ শুরু হওয়া এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।’ 

নিজের বক্তব্যে ট্রাম্প মার্কিন সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠনের ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি দাবি করেন, তার প্রথম মেয়াদ থেকেই তিনি সামরিক বাহিনীকে অভাবনীয়ভাবে গড়ে তুলেছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি যতটা চাই তার চেয়েও বেশি সামরিক শক্তি ব্যবহার করছি; কিন্তু যখনই আমরা এটি ব্যবহার করেছি, আমরা দেখেছি যে এটি অবশ্যই কার্যকর হয়েছে।’

সাম্প্রতিক সময়ে ভেনিজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর থেকেই কিউবা নিয়ে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান বিশ্বরাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ইতিপূর্বে তিনি কিউবাকে আলটিমেটাম দিয়ে বলেছিলেন, যদি হাভানা ওয়াশিংটনের শর্ত অনুযায়ী বাণিজ্য চুক্তিতে না আসে, তবে অদূর ভবিষ্যতে দেশটি ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। 

ট্রাম্পের হুমকির তালিকায় কেবল কিউবা নয়, বরং দেশটির মিত্র রাষ্ট্রগুলোও রয়েছে। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, কোনো দেশ যদি কিউবায় তেল রপ্তানি করার চেষ্টা করে, তবে সেই দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করবে। মূলত কিউবার জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে দেশটির সরকারকে জনবিক্ষোভের মুখে ফেলার কৌশল নিয়েছে হোয়াইট হাউস।

তবে কিউবা সরকার ট্রাম্পের এই হুমকিকে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। হাভানা জানিয়েছে, তারা যেকোনো বহিঃশত্রুর আক্রমণ মোকাবিলায় প্রস্তুত। 

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

 

Tag :

বিদ্যুৎসংকটে বর্তমান সরকারের দায় নেই, সব আ. লীগের পাপের ফসল : তথ্য উপদেষ্টা

আরও এক দেশে সরকার পরিবর্তনের হুমকি ট্রাম্পের

আপডেট সময় ১২:৩২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে উত্তেজনার মধ্যেই এবার নতুন এক দেশে সরকার পরিবর্তনের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরাসরি কিউবায় সরকার পরিবর্তনের হুমকি দেন। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। 

ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে তার প্রশাসনের চলমান সামরিক ও কৌশলগত অভিযান শেষ হওয়ার পরপরই কিউবার বিরুদ্ধে বড় ধরনের পদক্ষেপ শুরু হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘কিউবায় বর্তমানে যা ঘটছে তা সত্যিই আশ্চর্যজনক। তবে আমরা প্রথমে ইরান ইস্যুটি শেষ করতে চাই। কিউবায় আমাদের পদক্ষেপ শুরু হওয়া এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।’ 

নিজের বক্তব্যে ট্রাম্প মার্কিন সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠনের ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি দাবি করেন, তার প্রথম মেয়াদ থেকেই তিনি সামরিক বাহিনীকে অভাবনীয়ভাবে গড়ে তুলেছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি যতটা চাই তার চেয়েও বেশি সামরিক শক্তি ব্যবহার করছি; কিন্তু যখনই আমরা এটি ব্যবহার করেছি, আমরা দেখেছি যে এটি অবশ্যই কার্যকর হয়েছে।’

সাম্প্রতিক সময়ে ভেনিজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর থেকেই কিউবা নিয়ে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান বিশ্বরাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ইতিপূর্বে তিনি কিউবাকে আলটিমেটাম দিয়ে বলেছিলেন, যদি হাভানা ওয়াশিংটনের শর্ত অনুযায়ী বাণিজ্য চুক্তিতে না আসে, তবে অদূর ভবিষ্যতে দেশটি ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। 

ট্রাম্পের হুমকির তালিকায় কেবল কিউবা নয়, বরং দেশটির মিত্র রাষ্ট্রগুলোও রয়েছে। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, কোনো দেশ যদি কিউবায় তেল রপ্তানি করার চেষ্টা করে, তবে সেই দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করবে। মূলত কিউবার জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে দেশটির সরকারকে জনবিক্ষোভের মুখে ফেলার কৌশল নিয়েছে হোয়াইট হাউস।

তবে কিউবা সরকার ট্রাম্পের এই হুমকিকে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। হাভানা জানিয়েছে, তারা যেকোনো বহিঃশত্রুর আক্রমণ মোকাবিলায় প্রস্তুত। 

বাংলা৭১নিউজ/জেএস