শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’ করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

তাইওয়ানে অস্ত্র সরবরাহে যুক্তরাষ্ট্রকে হিসেবি হতে হবে: ট্রাম্পকে শি জিনপিং

বাংলা৭১নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক দীর্ঘ ফোনালাপে তাইওয়ান ইস্যুতে বেইজিংয়ের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাইওয়ানকে ‌‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল’ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে শি জিনপিং ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেছেন, স্বশাসিত এই দ্বীপে অস্ত্র সরবরাহের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনকে আরও ‘বিচক্ষণ’ ও ‘সতর্ক’ হতে হবে।

ফোনালাপে শি জিনপিং স্পষ্ট করে বলেন, তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং বেইজিং তার সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় কোনো আপস করবে না। গত ডিসেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন তাইওয়ানের কাছে ১১ বিলিয়ন ডলারের যে বিশাল অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা দিয়েছিল, তা নিয়ে বেইজিং তাদের তীব্র উদ্বেগের কথা জানিয়েছে। 

শি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেমন নিজস্ব উদ্বেগ আছে, চীনেরও তেমন আছে। যদি উভয়পক্ষ সমমর্যাদা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে কাজ করে, তবে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।

ট্রাম্প এই ফোনালাপকে ‘দীর্ঘ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ’ বলে বর্ণনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, চীন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন আমদানির পরিমাণ ১২ মিলিয়ন টন থেকে বাড়িয়ে ২০ মিলিয়ন টনে উন্নীত করার কথা বিবেচনা করছে। ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট শি’র সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। আমরা দুজনেই এই সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে চাই।

তাইওয়ান এবং সয়াবিন ছাড়াও দুই নেতার মধ্যে বৈশ্বিক রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বর্তমান ইরান পরিস্থিতি নিয়ে দুই নেতার মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনের তেল ও গ্যাস ক্রয়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া আগামী এপ্রিলে ট্রাম্পের চীন সফর করার কথা রয়েছে, যা নিয়ে তিনি বেশ আশাবাদী।

গত বছর দক্ষিণ কোরিয়ায় দুই নেতার বৈঠকের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যকার ট্যারিফ যুদ্ধ এবং চিপ নিয়ে বিরোধ কিছুটা থিতু হতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে সয়াবিন এবং টিকটক-সংক্রান্ত বিষয়গুলোর সমাধান হওয়ায় সম্পর্ক উন্নতির দিকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তবে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার কয়েক ঘণ্টা আগেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন শি জিনপিং। ক্রেমলিন জানিয়েছে, পুতিনও বছরের প্রথমার্ধে চীন সফরে যাবেন। বেইজিংয়ের এই দ্বিমুখী তৎপরতাকে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘চায়না ডেইলি’ একটি ‘স্থিতিশীল শক্তি’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।

এদিকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ‘পাথরের মতো শক্ত’ রয়েছে এবং সামরিক সহযোগিতা পূর্বপরিকল্পিতভাবেই চলবে।

সূত্র: বিবিসি

বাংলা৭১নিউজ/এনি

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com