শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’ করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

‘ভারতীয় আর সাপের মুখোমুখি হলে আগে ভারতীয়কে মারো’

বাংলা৭১নিউজ,ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৫ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন সম্পর্কিত নতুন ৩০ লাখের বেশি নথি প্রকাশ হয়েছে। এবার সেই নথিতে নরওয়ের কূটনীতিক টেরিয়ে রোড-লারসেন এপস্টাইনকে লেখা একটি ইমেলে ভারতীয়দের সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য প্রকাশ পেয়েছে। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ভারতীয়রা।

মার্কিন বিচার বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত নথিতে দেখা গেছে, এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও নরওয়ের প্রভাবশালী কূটনীতিক টেরিয়ে রোড-লারসেন ২০১৫ সালের ২৫শে ডিসেম্বর এপস্টেইনকে পাঠানো এক ইমেইলে লেখেন, ‘তুমি কি এই প্রবাদটি শুনেছ? সাপ আর ভারতীয় একসঙ্গে পেলে আগে ভারতীয়কে মারো।’

মূলত, এপস্টেইন একজন ভারতীয় রাজনীতিকের পাঠানো একটি ই-মেইল রোড-লারসেনকে ফরোয়ার্ড করেছিলেন। সেই ই-মেইলের জবাবে রোড-লারসেন ভারতীয়দের নিয়ে ওই মন্তব্যটি করেন।

টেরিয়ে রোড-লারসেন কে?
টেরিয়ে রোড-লারসেন নরওয়ের একজন প্রখ্যাত কূটনীতিক এবং জাতিসংঘের সাবেক দূত। তিনি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ‘ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউট’-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে ২০২০ সালে জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে তার আর্থিক লেনদেন ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

এদিকে ই-মেইলটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এটা অত্যন্ত জঘন্য এবং বিকৃত রুচির পরিচয়।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘এরা ভারতীয়দের কতটা ঘৃণা করে, এই মন্তব্যই তার প্রমাণ।’

এপস্টেইন ফাইল কী? কেন বিশ্বব্যাপী এত আলোচনা

প্রসঙ্গত, গত ৩০ জানুয়ারি কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মানি-লন্ডারিং ও যৌন অপরাধের তদন্তের সঙ্গে যুক্ত ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করে মার্কিন বিচার বিভাগ। এসব নথিতে বিশ্বজুড়ে প্রভাবশালী বহু ব্যক্তি, সাবেক ও বর্তমান বিশ্বনেতা, শিল্পপতি ও কূটনীতিকদের যোগাযোগ, ই-মেইল ও ব্যক্তিগত তথ্য রয়েছে। এরমধ্যে ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রিন্স অ্যান্ড্রু, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামও নথিতে এসেছে।

জেফরি এপস্টেইন ছিলেন একজন প্রভাবশালী মার্কিন অর্থদাতা। ২০০৫ সালে এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে প্রথম তদন্ত শুরু হয়। ২০০৮ সালে তিনি নাবালিকাকে দেহব্যবসায় বাধ্য করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন। তবে সে সময় তিনি প্রভাব খাটিয়ে প্রসিকিউটরদের সঙ্গে একটি আপিল চুক্তির মাধ্যমে বড় সাজা থেকে বেঁচে যান এবং ১৮ মাসের জেল খাটেন।

১১ বছর পর ২০১৯ সালে তার বিরুদ্ধে আবার নারী-কিশোরী পাচারের অভিযোগ আনা হয় এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরই নিউইয়র্কের একটি কারাগারে বন্দী অবস্থায় তিনি আত্মহত্যা করেন বলে জানায় জেল কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: ইয়ন

বাংলা৭১নিউজ/এএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com