শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’ করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয় প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া এবং চীন সফরের জন্য সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি জানান, চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং অন্য দেশের সরকারপ্রধানকে বসিয়ে রেখে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সদ্য সমাপ্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে শনিবার বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের আটটি সমঝোতা ও তিনটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। মোংলা বন্দর এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনের জন্য বিশেষ ইপিজেড নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। একইসঙ্গে তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহযোগিতায় সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে।

তিনি জানান, কুনমিং থেকে বাংলাদেশে সরাসরি যোগাযোগের জন্য চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোর প্রস্তাব করেছে বেইজিং। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ।

এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরেও ‘বাংলাদেশ ফাস্ট নীতি’র বড় ধরনের সাফল্য দেখা গেছে বলে উল্লেখ করেন ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের প্রকাশিত ভিডিও প্রমাণ করে তারেক রহমান এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক কত গভীর হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ এবং বিনিয়োগের দুটি নোট অব ভার্বাল স্বাক্ষরিত হয়। এছাড়া ২০২৭ সালের মধ্যে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি করতে দুই দেশ কাজ করবে বলে একমত হয়েছে।

মালয়েশিয়াতে দুই লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের নীতিগত বিষয়ে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলেও উল্লেখ করেন ড. খলিলুর রহমান।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জানিয়েছেন, চায়না বাংলাদেশের উন্নয়নে স্থায়ী বন্ধু হতে চায়। এছাড়া ব্রিকস এবং সাংহাই কনভেনশনে বাংলাদেশের নতুন সদস্য হওয়াকে চীন সমর্থন করবে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com