শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’ করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

করাচিতে শপিংমলে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৫০

বাংলা৭১নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের করাচিতে গুল প্লাজা অগ্নিকাণ্ডের ধ্বংসস্তুপ থেকে দেশটির দমকলকর্মীরা আরো ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন। এর ফলে এই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫০ জনে। খবর রয়টার্সের।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি) গভীর রাতে বন্দরনগরী করাচির গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় এই অগ্নিকাণ্ডটি ঘটে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে গুল প্লাজা শপিং কমপ্লেক্সে। তিনতলা ভবনটিতে ১ হাজার ২০০টি দোকান ছিল। অগ্নিকাণ্ডের ফলে ভবনের কিছু অংশ ধসে পড়েছিল। 

বুধবার (২১ জানুয়ারি) করাচির ডেপুটি কমিশনার জাভেদ নবী খোসো সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা ২০ থেকে ২৫টি মরদেহ বা অবশিষ্টাংশ খুঁজে পেয়েছি।” তিনি জানান, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের জন্য অবশিষ্টাংশগুলো হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শনাক্তকরণে সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিহতের সঠিক সংখ্যা জানানো বর্তমানে কঠিন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) পর্যন্ত এই সংখ্যা ছিল ২৯।

দমকলকর্মীরা মঙ্গলবার পর্যন্ত শপিংমলের ভেতরের ভয়াবহ আগুনের সঙ্গে লড়াই চালিয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার ততক্ষণে গুল প্লাজা ছাই ও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় উদ্ধারকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মোট ৮৪ জন নিখোঁজের একটি তালিকা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজদের বেশিরভাগই মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার ফলে নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

প্লাজার ভেতরের ধ্বংযজ্ঞ দেখার পর দোকানদার রহমত খান বলেন, “এটি এক কেয়ামতের দৃশ্য।” তিনি জানান, যখন আগুন লাগে তখন তার দোকানে কর্মীসহ প্রায় ১৮ থেকে ২০ জন লোক ছিলেন। তাদের সবাই বর্তমানে নিখোঁজ।

২০১২ সালের একটি শিল্প কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ২৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর পর করাচিতে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা।

বাংলা৭১নিউজ/এএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com