ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ১ বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের সমাধান সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী Logo জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত Logo কারাগারে থেকে কীভাবে গাড়িতে আগুন দিলেন সাবেক মেজর সাদিক? ব্যাখ্যা দিল ভাটারা পুলিশ Logo বিদ্যুৎ সংকটের সুযোগ নিয়ে রাজপথে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী Logo সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদ পাচ্ছেন মুশফিক ফজল আনসারী Logo সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন অসুস্থ, আপাতত বিদেশ যাচ্ছেন না Logo রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা Logo ৩ শর্তে ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান Logo মস্কোতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, নিহত ১ Logo প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়িয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য জোরদারের উদ্যোগ বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়ার

জমিয়তকে চার আসনে ছাড়ের ঘোষণা বিএনপির

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ আগামী নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতার মাধ্যমে অংশ নেবে। দলটিকে চারটি আসনে ছাড় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১২টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

জমিয়তের নেতাদের মধ্যে দলের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি মহাসচিব জানান, সিলেট-৫ আসনে জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, নীলফামারী-১ আসনে মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল আফেন্দী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

ফখরুল জানান, এসব আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেবে না। দলের সিদ্ধান্ত সবাইকে মানতে হবে। কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে দল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

বিএনপি মহাসচিব জানান, জমিয়ত নেতারা তাদের দলীয় প্রতীক খেজুর গাছ নিয়ে নির্বাচন করবেন।

ইসলামি দলগুলোর মধ্যে জমিয়তই এবারের নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে রয়েছে। দলটির প্রত্যাশা ছিল আরও বেশি আসন। এটি নিয়ে টানাপোড়েনও দেখা দেয়। তবে শেষ পর্যন্ত বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা হলো জমিয়তের। ফলে সারাদেশে জমিয়তের যারা প্রার্থী ছিলেন তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়াবেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমরা তাদের স্বাগত জানাই। আমাদের দলের পক্ষ থেকে তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। দোয়া করছি তাদের এই উদ্যোগ যেন সফল হয়।

দেশ যখন নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে তখন একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার কারণে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, সরকার কয়েকটা মাস যোগ্যতার পরিচয় দেবে। তবে সরকারকে ধন্যবাদ, তারা কথা রেখেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু নির্বাচনের পরিবেশ করার ব্যাপারে সরকারকে আরও সযতন, ইতিবাচক ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করা দরকার। নির্বাচন যেন সুষ্ঠু পরিবেশে হয় সেটা আমরা আশা করি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

 

Tag :

১ বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের সমাধান সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী

জমিয়তকে চার আসনে ছাড়ের ঘোষণা বিএনপির

আপডেট সময় ১২:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ আগামী নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতার মাধ্যমে অংশ নেবে। দলটিকে চারটি আসনে ছাড় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১২টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

জমিয়তের নেতাদের মধ্যে দলের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি মহাসচিব জানান, সিলেট-৫ আসনে জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, নীলফামারী-১ আসনে মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল আফেন্দী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

ফখরুল জানান, এসব আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেবে না। দলের সিদ্ধান্ত সবাইকে মানতে হবে। কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে দল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

বিএনপি মহাসচিব জানান, জমিয়ত নেতারা তাদের দলীয় প্রতীক খেজুর গাছ নিয়ে নির্বাচন করবেন।

ইসলামি দলগুলোর মধ্যে জমিয়তই এবারের নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে রয়েছে। দলটির প্রত্যাশা ছিল আরও বেশি আসন। এটি নিয়ে টানাপোড়েনও দেখা দেয়। তবে শেষ পর্যন্ত বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা হলো জমিয়তের। ফলে সারাদেশে জমিয়তের যারা প্রার্থী ছিলেন তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়াবেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমরা তাদের স্বাগত জানাই। আমাদের দলের পক্ষ থেকে তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। দোয়া করছি তাদের এই উদ্যোগ যেন সফল হয়।

দেশ যখন নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে তখন একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার কারণে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, সরকার কয়েকটা মাস যোগ্যতার পরিচয় দেবে। তবে সরকারকে ধন্যবাদ, তারা কথা রেখেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু নির্বাচনের পরিবেশ করার ব্যাপারে সরকারকে আরও সযতন, ইতিবাচক ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করা দরকার। নির্বাচন যেন সুষ্ঠু পরিবেশে হয় সেটা আমরা আশা করি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস