ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দ্রুত কার্গো খালাসে এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ Logo রামিসাকে নিয়ে খালিদের গান, কণ্ঠ দিলেন সিঁথি-রাফসান-টুটুল Logo পাকুন্দিয়ায় ২ ব্রিজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo ক্যানসারে আক্রান্ত ইবরার টিপুর বর্তমান অবস্থা Logo ৩৬-এ না ফেরার দেশে জনপ্রিয় অভিনেত্রী Logo আল্লাহর কাছে অতীতের ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন লুবাবা Logo অভিনেত্রী রিধিকার আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় প্রেমিক কারাগারে Logo পে-স্কেল প্রণয়নসহ ছয় মাসের কর্মকাণ্ড জানালেন মাহদী আমিন Logo বৃষ্টির পানিতে রেললাইন ডুবে চবির দুই শাটল ট্রেন আটকে, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা Logo দায়িত্বে দক্ষতার ছাপ: আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় আলোচনায় আসাদুল হাবিব দুলু

লস অ্যাঞ্জেলেসের বিক্ষোভ ছড়াল যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ শহরে

অভিবাসীবিরোধী অভিযানের প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ঠেকাতে ট্রাম্প প্রশাসন শহরে শহরে গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার লস আঞ্জেলেস শহরের ডাউনটাউন এলাকায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ১১ রাজ্যের অন্তত ১৫টি শহরে ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ।

অভিবাসী ধরপাকড় অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া প্রতিবাদ এখন বিশাল বিক্ষোভে রূপ নিয়েছে। নিউইয়র্ক, শিকাগো, আটলান্টা থেকে শুরু করে ফিলাডেলফিয়া পর্যন্ত বিক্ষোভে উত্তাল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজও ছাড়বার পাত্র নয়। শহরে শহরে চলছে গণগ্রেপ্তার। ন্যাশনাল গার্ড (সেনাবাহিনীর একটি শাখা), মেরিন সেনাও মোতায়েন করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি সামলাতে না পেরে লস আঞ্জেলেস শহরের ডাউনটাউন এলাকায় মঙ্গলবার কারফিউ জারি করেন স্থানীয় মেয়র।

লস অ্যাঞ্জেলেসের ডাউনটাউন এলাকায় ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) এক বন্দিশালায় আটকে রাখা কয়েকজন অভিবাসীর মুক্তির দাবি থেকেই এই উত্তাল বিক্ষোভের সূত্রপাত।

লস অ্যাঞ্জেলেসের ওই অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভ এখন নিউইয়র্ক, শিকাগো, সানফ্রান্সিসকো, ডেনভার, সান্তা আনা, লাসভেগাস, আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া, মিলওয়াকি, সিয়াটল, বোস্টন, ওয়াশিংটন ডিসি, ডালাস, অস্টিন এবং সান আন্তোনিওতে ছড়িয়ে পড়েছে বলে বুধবার সিএনএনের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়।

এদিকে টেক্সাসের অস্টিনে শতাধিক মানুষের একটি বড় দল মিছিল করে জে জে পিকল ফেডারেল ভবনের দিকে যায়। ভবনটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইসিই কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

এরই মধ্যে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন।

আর বিক্ষোভের সূতিকাগার লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ক্যারেন ব্যাস শহরের একটি নির্দিষ্ট অংশে স্থানীয় সময় রাত ৮টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করেন। লস অ্যাঞ্জেলেসের ডাউনটাউনে কারফিউ কার্যকর হওয়ার পর গণহারে বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার করতে শুরু করেছে লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (এলএপিডি)। তবে কারফিউ জারির পরও লস অ্যাঞ্জেলেস শহরের কেন্দ্রস্থলে বিক্ষোভ চলছে।

বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে গত কয়েক দিনে প্রায় ৪০০ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার ২৭ জন, রবিবার ৪০ জন এবং সোমবার ১১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া মঙ্গলবার প্রায় ২০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানায় এলএপিডি।

লস অ্যাঞ্জেলেস শহরকে অবৈধ অভিবাসীদের কবল থেকে ‘স্বাধীন’ করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই শহরের অভিবাসীদের ‘বিদেশি শত্রু“’ হিসাবে চিহ্নিত করেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ

Tag :

দ্রুত কার্গো খালাসে এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ

লস অ্যাঞ্জেলেসের বিক্ষোভ ছড়াল যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ শহরে

আপডেট সময় ০১:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

অভিবাসীবিরোধী অভিযানের প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ঠেকাতে ট্রাম্প প্রশাসন শহরে শহরে গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার লস আঞ্জেলেস শহরের ডাউনটাউন এলাকায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ১১ রাজ্যের অন্তত ১৫টি শহরে ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ।

অভিবাসী ধরপাকড় অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া প্রতিবাদ এখন বিশাল বিক্ষোভে রূপ নিয়েছে। নিউইয়র্ক, শিকাগো, আটলান্টা থেকে শুরু করে ফিলাডেলফিয়া পর্যন্ত বিক্ষোভে উত্তাল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজও ছাড়বার পাত্র নয়। শহরে শহরে চলছে গণগ্রেপ্তার। ন্যাশনাল গার্ড (সেনাবাহিনীর একটি শাখা), মেরিন সেনাও মোতায়েন করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি সামলাতে না পেরে লস আঞ্জেলেস শহরের ডাউনটাউন এলাকায় মঙ্গলবার কারফিউ জারি করেন স্থানীয় মেয়র।

লস অ্যাঞ্জেলেসের ডাউনটাউন এলাকায় ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) এক বন্দিশালায় আটকে রাখা কয়েকজন অভিবাসীর মুক্তির দাবি থেকেই এই উত্তাল বিক্ষোভের সূত্রপাত।

লস অ্যাঞ্জেলেসের ওই অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভ এখন নিউইয়র্ক, শিকাগো, সানফ্রান্সিসকো, ডেনভার, সান্তা আনা, লাসভেগাস, আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া, মিলওয়াকি, সিয়াটল, বোস্টন, ওয়াশিংটন ডিসি, ডালাস, অস্টিন এবং সান আন্তোনিওতে ছড়িয়ে পড়েছে বলে বুধবার সিএনএনের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়।

এদিকে টেক্সাসের অস্টিনে শতাধিক মানুষের একটি বড় দল মিছিল করে জে জে পিকল ফেডারেল ভবনের দিকে যায়। ভবনটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইসিই কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

এরই মধ্যে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন।

আর বিক্ষোভের সূতিকাগার লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ক্যারেন ব্যাস শহরের একটি নির্দিষ্ট অংশে স্থানীয় সময় রাত ৮টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করেন। লস অ্যাঞ্জেলেসের ডাউনটাউনে কারফিউ কার্যকর হওয়ার পর গণহারে বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার করতে শুরু করেছে লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (এলএপিডি)। তবে কারফিউ জারির পরও লস অ্যাঞ্জেলেস শহরের কেন্দ্রস্থলে বিক্ষোভ চলছে।

বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে গত কয়েক দিনে প্রায় ৪০০ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার ২৭ জন, রবিবার ৪০ জন এবং সোমবার ১১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া মঙ্গলবার প্রায় ২০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানায় এলএপিডি।

লস অ্যাঞ্জেলেস শহরকে অবৈধ অভিবাসীদের কবল থেকে ‘স্বাধীন’ করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই শহরের অভিবাসীদের ‘বিদেশি শত্রু“’ হিসাবে চিহ্নিত করেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ