বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৭:১২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চার মাসে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধেছে সরকার বাংলাদেশে সুইডিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ১৬৪, আহত প্রায় এক হাজার গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ৯ বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা, প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টা করলে কঠোর শাস্তি : শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরের বাইরে পৃথক কার্গো ভিলেজ গড়ার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজ করছে সরকার : পরিবেশমন্ত্রী মাদক মামলার বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিস্তা ও অন্যান্য নদী ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-চীনের ঐকমত্য বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প আমাদের জন্য বোঝা : অর্থমন্ত্রী

এক সপ্তাহ পর চক্ষু হাসপাতালে সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা চালু

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপডেট সময় বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

এক সপ্তাহ পর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা চালু হয়েছে। বুধবার সকালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা চালু হয়।

সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে হাসপাতালের ফটকে অপেক্ষারত রোগীদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। সকাল ১০টার দিকে জরুরি বিভাগে রোগীদের সেবা দেওয়া শুরু হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা চালু হয়েছে। যাদের লম্বা সময় সেবার প্রয়োজন আছে, তাদেরও এই মুহূর্তে জরুরি সেবা নিয়ে চলে যেতে হবে।

সকালে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জানে আলম বলেন, আজ জরুরি বিভাগের সেবা চালু হয়েছে। জরুরি চিকিৎসার পরে কারও বাড়তি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সেটা আপাতত দেওয়া হবে না। মাত্র হাসপাতাল খুলেছে। প্রথমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হবে। চিকিৎসকদের সংখ্যা এখনো নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না।

বুধবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে হাসপাতালে প্রায় শতাধিক রোগীকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। তারা সকাল থেকে হাসপাতালে প্রবেশের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এসব রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের বেশির ভাগ নতুন রোগী। কেউ কেউ ইতোপূর্বে বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

গাইবান্ধা থেকে আসা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, গত ফেব্রুয়ারিতে একবার চোখের সমস্যা নিয়ে এখান থেকে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। সম্প্রতি চোখের যন্ত্রণা বেড়ে যাওয়ায় আজ আবার চিকিৎসার জন্য এসেছেন।

রফিকুল ইসলাম বলেন, সামনে ঈদ, তবুও আসতে বাধ্য হয়েছি। চোখের যন্ত্রণায় আর থাকতে পারছিলাম না। এই হাসপাতাল থেকে যে ওষুধ দেওয়া হয়, সেটা চোখের জন্য ভালো কাজ করে।

আরেক রোগী ইসমাইল হোসেন জানান, তিনি ভোলা থেকে এসেছেন। গত শনিবার হাসপাতালে এসে দেখতে পান, সব সেবা বন্ধ। এরপর থেকে প্রতিদিন সকালে এসে চিকিৎসা চালু হয়েছে কি না দেখে যেতেন। আজ বুধবার এসে দেখতে পান, ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছে।

ইসমাইল হোসেন বলেন, এ কদিন ঢাকায় এক আত্মীয়ের মেসে ছিলাম। অনেক দূর থেকে এসেছি। চিকিৎসা ছাড়া চলে গেলে আবার আসতে হবে। তাই এতদিন চিকিৎসার জন্য অপেক্ষা করেছি।

গত বুধবার চিকিৎসক-কর্মচারীদের সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত রোগীদের মারামারি-সংঘর্ষের পর হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়ে যায়।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবু জাফরসহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও হাসপাতালের কয়েকজন কর্মকর্তা আহতদের সঙ্গে সভা করেন। প্রায় তিন ঘণ্টার আলোচনা শেষে আবু জাফর সাংবাদিকদের বলেছিলেন, জরুরি বিভাগসহ সীমিত আকারে অন্য সেবা চালু করার ব্যাপারে কথা হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত করবে। পরে মন্ত্রণালয়ে এ নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক মো. সায়েদুর রহমান বলেন, বুধবার থেকে হাসপাতালের জরুরি সেবা চালু হবে। চারটি প্রতিষ্ঠানের চক্ষুবিশেষজ্ঞরা আহতদের চোখ পরীক্ষা করে দেখবেন কার সমস্যা কতটুকু, কাকে কোথায় চিকিৎসা নিতে হবে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com