বেলুচিস্তানের কালাত জেলায় একটি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী ১২ জন সশস্ত্র যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া শাখা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘সন্ত্রাসীদে’র উপস্থিতির খবরের ভিত্তিতে বুধবার এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাকিস্তান এক বিবৃতিতে বলেছে, অভিযানের সময় দ্রুত ও পরিকল্পিতভাবে ‘সন্ত্রাসী’দের আস্তানা শনাক্ত করা, নজরদারিতে রাখা এবং পরে ধ্বংস করা হয়েছে। এতে আরো দাবি করা হয়, অভিযানে ১২ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছে।
অভিযানস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও হাতে তৈরি বিস্ফোরক যন্ত্র উদ্ধার ও ধ্বংস করা হয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়। পাকিস্তান আরো জানিয়েছে, ওই এলাকায় থাকা বাকি যোদ্ধা শনাক্ত ও নির্মূল করতে অভিযান চলছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ অভিযানের আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাবে। বিদেশি মদদপুষ্ট ও সমর্থিত সন্ত্রাসবাদের হুমকি পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বেলুচিস্তানের কালাত এলাকায় ১২ জন যোদ্ধাকে হত্যার ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত পৃথক বিবৃতিতে তারা পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদ পুরোপুরি নির্মূল করার সংকল্পের কথা জানান।
তারা বলেন, দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর দৃঢ় প্রচেষ্টার পাশে পুরো জাতি রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট জারদারি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও নিরাপত্তা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান বিদেশি শক্তির মদদে পরিচালিত সন্ত্রাসবাদ পুরোপুরি নির্মূল করার লক্ষ্যেই চালানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, বেলুচিস্তানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে ‘সন্ত্রাসী’রা যে পরিকল্পনা করছে, সরকার তা কোনোভাবেই সফল হতে দেবে না।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ























