ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘জলমহাল কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এটি জনগণের সম্পদ। জনগণের স্বার্থরক্ষা সরকারের অগ্রাধিকার।
জনস্বার্থ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দরিদ্র মানুষের জীবিকা রক্ষার পাশাপাশি সরকারের রাজস্বপ্রাপ্তি নিশ্চিত করে জলমহালের মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।’
বুধবার (১৯ আগস্ট) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির ৯১তম সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ‘জাল যার, জলা তার’ নীতিতে সরকার বিশ্বাসী। জলমহাল ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন—ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এবং মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ. এস. এম. সালেহ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকরা অনলাইনে সভায় যুক্ত হন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন প্রচলিত আইন ও নীতিমালার আলোকে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের পরামর্শ নিয়ে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ইজারা মূল্য যুগোপযোগী করার নির্দেশ দেন।
একই সঙ্গে সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্বপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন।
সভায় কিশোরগঞ্জ জেলার ১২টি জলমহালের মধ্যে ৯টি, খুলনা জেলার ১২টির মধ্যে ৬টি, হবিগঞ্জ জেলার ৩০টির মধ্যে ২০টি এবং সুনামগঞ্জ জেলার ৫৪টির মধ্যে ৪৩টি জলমহালের ইজারা প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
বাকি প্রস্তাবগুলো অধিকতর যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সভায় উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়। যেসব জলমহালের প্রস্তাবিত ইজারা মূল্য যথাযথ নয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে পুনঃইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সভায় পাবনা জেলার ২৩টি জলমহাল উন্মুক্ত করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ























