ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo গাজীপুরে গভীর বনে ঘোড়ার ১০টি মাথা ও চামড়া উদ্ধার, মাংস গেল কোথায় Logo সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকীতে নানা আয়োজন Logo স্পেনে বন্দুকধারীদের গুলিতে অন্তঃসত্ত্বা নারী-শিশুসহ ৩ জন নিহত Logo শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়া কাদির মোল্লা স্কুলকে শিক্ষা বোর্ডের শোকজ Logo ‘আওয়ারাপান ২’ দেখতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার দর্শক Logo ফরিদপুরে ইজি বাইকের ধাক্কায় মাদরাসা শিক্ষার্থী নিহত Logo আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা অনুমাননির্ভর, আমলে নিচ্ছে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত ভবন থেকে অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার Logo জাপানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অধ্যাপক ইউনূসের সাক্ষাৎ Logo অবশেষে পে স্কেল নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থমন্ত্রী

তিস্তা নিয়ে বিগত সরকার কোনো উদ্যোগ নেয়নি : পানিসম্পদ মন্ত্রী

তিস্তা নিয়ে বিগত সরকারের সময়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে দেশের স্বার্থবিরোধী অনেক কাজ হয়েছে। তিস্তা নিয়েও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, নদী যেমন আমাদের একটা অর্থনৈতিক রূপান্তর, আরেকদিকে জীবনযাত্রার ভিত্তিও। কিন্তু এই নদী সীমান্ত পার হয়ে যখন আমার দেশে এসেছে এবং প্রবাহিত হয়ে যাচ্ছে, তখন এটার নিয়ন্ত্রণ আমাদের ধরে রাখা কঠিন।

ইতিমধ্যে আমরা বারবার বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছি। নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, নদীর গতি-প্রকৃতি কখন কোথায় যাবে, কিভাবে যাবে, কোথায় থামবে এটা বুঝা খুব মুশকিল। এটাকে আমরা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসব।

সেটা আনতে গেলে আবার যে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে সেটাও চিন্তা করতে হচ্ছে। আমাদের একটা ইন্টিগ্রেটেড ওয়েতে নিয়ে আসতে হবে। একটা সমন্বিত সমাধান আমাদের দরকার।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, উত্তরবঙ্গের নদীভাঙা মানুষদের জন্য যে কমিটমেন্ট সেই কমিটমেন্টটাকে আমরা বাস্তবায়িত করতে চাই। আমরা আশা করছি আমরা খুব শীঘ্রই আপনাদের আন্তরিকতায় এবং প্রচেষ্টায় আপনাদের এই কাজটা আমরা জাতির জন্য সুন্দরভাবে সমাবে করতে সক্ষম হব।

পার্শ্ববর্তী দেশের বন্ধুত্ব সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, পার্শ্ববর্তী বন্ধু দেশকেও চিন্তা করতে হবে যে তাদের যেমন স্বার্থ রয়েছে আমাদেরও স্বার্থ আছে। বন্ধু দেশেই তো বন্ধু দেশের স্বার্থ রক্ষা করবে। আমাদের স্বার্থের প্রতি তারা নজর দেবেন। আমাদের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্কের অবনতি হোক, এটা কখনো আমরা চাই না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও এমনটাই বলেছেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়া যখন এ দেশের দায়িত্বে ছিলেন, তখন এই তিস্তা প্রকল্প করার ক্ষেত্রে তার দৃশ্যমান ভূমিকা ছিল। পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও আন্তরিক ছিলেন। কিন্তু আপনারা লক্ষ্য করেছেন আমরা ১৭ বছর অনেকভাবে পিছিয়ে গিয়েছি। অনেক নির্যাতিত হয়েছি এবং স্বার্থবিরোধী অনেক কাজও হয়েছে।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যা যা করা দরকার আমরা সেটি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাব। তিস্তাপাড়ের মানুষ হিসেবে আমিও আপনাদের সঙ্গে একসঙ্গে বলব যে দ্রুত এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা আমাদের জন্য জরুরি।

টেকনিক্যাল সাপোর্টের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে আমরা চায়না গিয়েছি। নেদারল্যান্ডের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে, অথবা অন্য কোনো দেশেও যদি আমাদেরকে এই টেকনিক্যাল সাপোর্ট দেওয়ার জন্য এগিয়ে আসেন, অবশ্যই আমরা সেটাকে সাদরে গ্রহণ করব।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

গাজীপুরে গভীর বনে ঘোড়ার ১০টি মাথা ও চামড়া উদ্ধার, মাংস গেল কোথায়

তিস্তা নিয়ে বিগত সরকার কোনো উদ্যোগ নেয়নি : পানিসম্পদ মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:০৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

তিস্তা নিয়ে বিগত সরকারের সময়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে দেশের স্বার্থবিরোধী অনেক কাজ হয়েছে। তিস্তা নিয়েও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, নদী যেমন আমাদের একটা অর্থনৈতিক রূপান্তর, আরেকদিকে জীবনযাত্রার ভিত্তিও। কিন্তু এই নদী সীমান্ত পার হয়ে যখন আমার দেশে এসেছে এবং প্রবাহিত হয়ে যাচ্ছে, তখন এটার নিয়ন্ত্রণ আমাদের ধরে রাখা কঠিন।

ইতিমধ্যে আমরা বারবার বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছি। নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, নদীর গতি-প্রকৃতি কখন কোথায় যাবে, কিভাবে যাবে, কোথায় থামবে এটা বুঝা খুব মুশকিল। এটাকে আমরা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসব।

সেটা আনতে গেলে আবার যে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে সেটাও চিন্তা করতে হচ্ছে। আমাদের একটা ইন্টিগ্রেটেড ওয়েতে নিয়ে আসতে হবে। একটা সমন্বিত সমাধান আমাদের দরকার।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, উত্তরবঙ্গের নদীভাঙা মানুষদের জন্য যে কমিটমেন্ট সেই কমিটমেন্টটাকে আমরা বাস্তবায়িত করতে চাই। আমরা আশা করছি আমরা খুব শীঘ্রই আপনাদের আন্তরিকতায় এবং প্রচেষ্টায় আপনাদের এই কাজটা আমরা জাতির জন্য সুন্দরভাবে সমাবে করতে সক্ষম হব।

পার্শ্ববর্তী দেশের বন্ধুত্ব সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, পার্শ্ববর্তী বন্ধু দেশকেও চিন্তা করতে হবে যে তাদের যেমন স্বার্থ রয়েছে আমাদেরও স্বার্থ আছে। বন্ধু দেশেই তো বন্ধু দেশের স্বার্থ রক্ষা করবে। আমাদের স্বার্থের প্রতি তারা নজর দেবেন। আমাদের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্কের অবনতি হোক, এটা কখনো আমরা চাই না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও এমনটাই বলেছেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়া যখন এ দেশের দায়িত্বে ছিলেন, তখন এই তিস্তা প্রকল্প করার ক্ষেত্রে তার দৃশ্যমান ভূমিকা ছিল। পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও আন্তরিক ছিলেন। কিন্তু আপনারা লক্ষ্য করেছেন আমরা ১৭ বছর অনেকভাবে পিছিয়ে গিয়েছি। অনেক নির্যাতিত হয়েছি এবং স্বার্থবিরোধী অনেক কাজও হয়েছে।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যা যা করা দরকার আমরা সেটি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাব। তিস্তাপাড়ের মানুষ হিসেবে আমিও আপনাদের সঙ্গে একসঙ্গে বলব যে দ্রুত এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা আমাদের জন্য জরুরি।

টেকনিক্যাল সাপোর্টের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে আমরা চায়না গিয়েছি। নেদারল্যান্ডের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে, অথবা অন্য কোনো দেশেও যদি আমাদেরকে এই টেকনিক্যাল সাপোর্ট দেওয়ার জন্য এগিয়ে আসেন, অবশ্যই আমরা সেটাকে সাদরে গ্রহণ করব।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ