ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নির্বাচনী তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে : ইসি আনোয়ারুল ইসলাম Logo দিল্লির আন্দোলন মাঝরাতে ফুঁসে উঠলেন নাসিরুদ্দিন শাহ Logo মেট্রোরেল ডিপোর ভিডিও ধারণের অভিযোগে কর্মীকে পুলিশে দিল ডিএমটিসিএল Logo যমুনা ও বাঙালি নদীতে পানি বৃদ্ধি, ভাঙন আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ Logo জেনার সাথে জড়িত প্রমাণ হলে এমপির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক: হারুনুর রশিদ Logo বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী Logo নৈতিক স্খলন প্রমাণিত, জামায়াতের এমপি নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার Logo মেগা প্রকল্পে অনিয়ম-বিলম্ব সহ্য নয়, ১৮০ দিনের বিশেষ সংস্কারে সরকার Logo ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ প্রকল্প নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভা Logo ভারতের আন্দোলনে ঠিক যেন বাংলাদেশের দৃশ্য!

জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে ফিফা প্রধান ইনফান্তিনোকে চান ট্রাম্প

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে মনোনয়ন দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগ্রহী বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে গণমাধ্যমটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের বিশ্বকাপ আয়োজনের মাধ্যমে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন ৫৬ বছর বয়সী জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সুইজারল্যান্ডে জন্ম নেওয়া এই ফুটবল প্রশাসক ট্রাম্পকে মুগ্ধ ও সঙ্গে যুক্ত রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছেন। এমনকি গত ডিসেম্বরে ট্রাম্পকে ফিফার উদ্বোধনী ‘পিস প্রাইজ’ বা শান্তি পুরস্কারও প্রদান করেন।

ট্রাম্প বিশ্বাস করেন যে ইনফান্তিনো ‘বিশ্বজুড়ে সবার কাছে শ্রদ্ধেয় এবং মানুষকে এক সুতোয় বাঁধার একটি বিশেষ ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।’

আগামী ডিসেম্বরের শেষে পর্তুগালের আন্তোনিও গুতেরেস অবসর নেবেন। তাঁর স্থলাভিষিক্ত করতেই চলতি বছরেই পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচিত করা হবে। পদটি নিশ্চিত করতে ইনফান্তিনোকে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের সমর্থন অর্জন করতে হবে-যেখানে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এবং পরবর্তীতে সাধারণ পরিষদে অনুমোদন পেতে হবে।

ইনফান্তিনো নিজে এই পদটি চান কি না এবং ট্রাম্প তাঁর সঙ্গে এ বিষয়ে ঠিক কতখানি আলোচনা করেছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের ক্ষেত্রটিকে একজন ভেতরের ব্যক্তি (ইনসাইডার) ‘দুর্বল’ সাতজন প্রার্থীর দল বলে বর্ণনা করার পর, ট্রাম্প সেখানে একটি স্পষ্ট সুযোগ দেখতে পাচ্ছেন।

সবচেয়ে পরিচিত প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছেন চিলির সমাজতান্ত্রিক সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল ব্যাচেলেট-যিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাধার মুখে পড়তে পারেন। আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রসি-যিনি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার বর্তমান মহাপরিচালক। তবে বিতর্কিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্যের আপত্তির মুখে পড়তে পারেন গ্রসি।

ট্রাম্পের এই ভাবনা লাতিন আমেরিকা বা ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে প্রার্থী নির্বাচনের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা ওলটপালট করে দিতে পারে। ওই অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব সর্বশেষ ১৯৮২ থেকে ১৯৯১ সালের মধ্যে জাতিসংঘের মহাসচিব হাভিয়ার পেরেস দে কুয়েয়ার (পেরু) করেছিলেন।

তবে একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ভৌগোলিক পর্যায়ক্রমিক আবর্তনের এই অলিখিত নিয়মটি ইনফান্তিনোকে আটকানোর জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। তবে এটিও সম্ভব যে ট্রাম্পের মনোনয়ন ছাড়াও তিনি আরও একাধিক দেশের সমর্থন পেয়ে যেতে পারেন।

ট্রাম্পের বৈশ্বিক অংশীদারিত্ববিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্বরত ইতালি-আমেরিকান ব্যবসায়ী ও কূটনীতিক পাওলো জামপোলি ‘নিউইয়র্ক পোস্ট’-কে বলেছেন, ‘কেবল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পক্ষেই এমন একটি দুর্দান্ত ও চমৎকার আইডিয়া বা ভাবনা বের করা সম্ভব।’

সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনী তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে : ইসি আনোয়ারুল ইসলাম

জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে ফিফা প্রধান ইনফান্তিনোকে চান ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৫:০৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে মনোনয়ন দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগ্রহী বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে গণমাধ্যমটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের বিশ্বকাপ আয়োজনের মাধ্যমে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন ৫৬ বছর বয়সী জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সুইজারল্যান্ডে জন্ম নেওয়া এই ফুটবল প্রশাসক ট্রাম্পকে মুগ্ধ ও সঙ্গে যুক্ত রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছেন। এমনকি গত ডিসেম্বরে ট্রাম্পকে ফিফার উদ্বোধনী ‘পিস প্রাইজ’ বা শান্তি পুরস্কারও প্রদান করেন।

ট্রাম্প বিশ্বাস করেন যে ইনফান্তিনো ‘বিশ্বজুড়ে সবার কাছে শ্রদ্ধেয় এবং মানুষকে এক সুতোয় বাঁধার একটি বিশেষ ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।’

আগামী ডিসেম্বরের শেষে পর্তুগালের আন্তোনিও গুতেরেস অবসর নেবেন। তাঁর স্থলাভিষিক্ত করতেই চলতি বছরেই পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচিত করা হবে। পদটি নিশ্চিত করতে ইনফান্তিনোকে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের সমর্থন অর্জন করতে হবে-যেখানে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এবং পরবর্তীতে সাধারণ পরিষদে অনুমোদন পেতে হবে।

ইনফান্তিনো নিজে এই পদটি চান কি না এবং ট্রাম্প তাঁর সঙ্গে এ বিষয়ে ঠিক কতখানি আলোচনা করেছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের ক্ষেত্রটিকে একজন ভেতরের ব্যক্তি (ইনসাইডার) ‘দুর্বল’ সাতজন প্রার্থীর দল বলে বর্ণনা করার পর, ট্রাম্প সেখানে একটি স্পষ্ট সুযোগ দেখতে পাচ্ছেন।

সবচেয়ে পরিচিত প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছেন চিলির সমাজতান্ত্রিক সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল ব্যাচেলেট-যিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাধার মুখে পড়তে পারেন। আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রসি-যিনি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার বর্তমান মহাপরিচালক। তবে বিতর্কিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্যের আপত্তির মুখে পড়তে পারেন গ্রসি।

ট্রাম্পের এই ভাবনা লাতিন আমেরিকা বা ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে প্রার্থী নির্বাচনের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা ওলটপালট করে দিতে পারে। ওই অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব সর্বশেষ ১৯৮২ থেকে ১৯৯১ সালের মধ্যে জাতিসংঘের মহাসচিব হাভিয়ার পেরেস দে কুয়েয়ার (পেরু) করেছিলেন।

তবে একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ভৌগোলিক পর্যায়ক্রমিক আবর্তনের এই অলিখিত নিয়মটি ইনফান্তিনোকে আটকানোর জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। তবে এটিও সম্ভব যে ট্রাম্পের মনোনয়ন ছাড়াও তিনি আরও একাধিক দেশের সমর্থন পেয়ে যেতে পারেন।

ট্রাম্পের বৈশ্বিক অংশীদারিত্ববিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্বরত ইতালি-আমেরিকান ব্যবসায়ী ও কূটনীতিক পাওলো জামপোলি ‘নিউইয়র্ক পোস্ট’-কে বলেছেন, ‘কেবল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পক্ষেই এমন একটি দুর্দান্ত ও চমৎকার আইডিয়া বা ভাবনা বের করা সম্ভব।’

সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ