ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নেইমারের উক্তি

নরওয়ের কাছে হারের পর ব্রাজিল ক্যারিয়ার ‘শেষ’

২০২৬ বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে দলের হারের পর আবেগাপ্লুত নেইমার বলেছেন, ব্রাজিলের হয়ে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ‘শেষ’।

শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিল ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকার সময় ৬৭তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা, তবে সেলেসাওদের বিদায় ঠেকাতে পারেননি তিনি।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে যোগ করা সময়ের একেবারে শেষদিকে পেনাল্টি থেকে একটি গোল করেন নেইমার। তবে জাতীয় দলের হয়ে নিজের সম্ভাব্য শেষ ম্যাচে এটি কেবল সান্ত্বনাসূচক গোল হিসেবেই থাকলো।

দল বাদ পড়ার পর টিভি গ্লোবোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেইমার বলেন, “আমি চেষ্টা করেছি, আমি চেষ্টা করেছি। এখন সব শেষ। আমি এখানেই শুরু করেছিলাম, এখানেই শেষ করলাম।”

২০১০ সালের অগাস্টে এই একই স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের হয়ে অভিষেক হয়েছিল নেইমারের। সেই প্রীতি ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে গোলও করেছিলেন তিনি।

পরবর্তীতে তিনি ৮০ গোল নিয়ে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এছাড়া দেশের হয়ে ১৩০টি ম্যাচ খেলে সর্বকালের সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার তালিকায় কাফুর (১৪২ ম্যাচ) ঠিক পেছনেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন তিনি।

২০২৬ বিশ্বকাপের দলে ডাক পাওয়ার আগে, ইনজুরির সাথে লড়াইয়ের কারণে ২০২৩ সাল থেকে ব্রাজিলের হয়ে আর কোনো ম্যাচ খেলেননি নেইমার।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের শেষ গ্রুপ ম্যাচে (৩-০ গোলের জয়) বদলি হিসেবে শেষদিকে মাঠে নেমেছিলেন তিনি এবং এবারের গ্রীষ্মের টুর্নামেন্টে তার একমাত্র অন্য ম্যাচটি ছিল নরওয়ের বিপক্ষে।

তিনি তার চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলছিলেন – এর আগে ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২ সালের টুর্নামেন্টেও ব্রাজিলের হয়ে খেলেছেন তিনি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নেইমারের উক্তি

নরওয়ের কাছে হারের পর ব্রাজিল ক্যারিয়ার ‘শেষ’

আপডেট সময় ০৮:১৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

২০২৬ বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে দলের হারের পর আবেগাপ্লুত নেইমার বলেছেন, ব্রাজিলের হয়ে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ‘শেষ’।

শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিল ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকার সময় ৬৭তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা, তবে সেলেসাওদের বিদায় ঠেকাতে পারেননি তিনি।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে যোগ করা সময়ের একেবারে শেষদিকে পেনাল্টি থেকে একটি গোল করেন নেইমার। তবে জাতীয় দলের হয়ে নিজের সম্ভাব্য শেষ ম্যাচে এটি কেবল সান্ত্বনাসূচক গোল হিসেবেই থাকলো।

দল বাদ পড়ার পর টিভি গ্লোবোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেইমার বলেন, “আমি চেষ্টা করেছি, আমি চেষ্টা করেছি। এখন সব শেষ। আমি এখানেই শুরু করেছিলাম, এখানেই শেষ করলাম।”

২০১০ সালের অগাস্টে এই একই স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের হয়ে অভিষেক হয়েছিল নেইমারের। সেই প্রীতি ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে গোলও করেছিলেন তিনি।

পরবর্তীতে তিনি ৮০ গোল নিয়ে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এছাড়া দেশের হয়ে ১৩০টি ম্যাচ খেলে সর্বকালের সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার তালিকায় কাফুর (১৪২ ম্যাচ) ঠিক পেছনেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন তিনি।

২০২৬ বিশ্বকাপের দলে ডাক পাওয়ার আগে, ইনজুরির সাথে লড়াইয়ের কারণে ২০২৩ সাল থেকে ব্রাজিলের হয়ে আর কোনো ম্যাচ খেলেননি নেইমার।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের শেষ গ্রুপ ম্যাচে (৩-০ গোলের জয়) বদলি হিসেবে শেষদিকে মাঠে নেমেছিলেন তিনি এবং এবারের গ্রীষ্মের টুর্নামেন্টে তার একমাত্র অন্য ম্যাচটি ছিল নরওয়ের বিপক্ষে।

তিনি তার চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলছিলেন – এর আগে ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২ সালের টুর্নামেন্টেও ব্রাজিলের হয়ে খেলেছেন তিনি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস