আইভরিকোস্টের বিপক্ষে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল নরওয়ে। তবে বিরতির পর সমতায় ফিরে আফ্রিকার দেশটি। তবে শেষ দিকে আর্লিং হালান্ডের গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে নরওয়ে। এই জয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিলো তারা। অন্যদিকে, শেষ ৩২ থেকেই বিদায় নিতে হলো আইভরিকোস্টেকে।
প্রথমার্ধে আইভরিকোস্ট নরওয়ের বক্সে বেশ কিছ আক্রমণ করেছিল। কিন্তু লক্ষ্যে ছিল না বল। ম্যাচের ২১ মিনিটে ঘিসলাইন কোনানের ডানপায়ের শট কাছের পোস্ট দিয়ে বাইরের জালে জড়ায়।
এরপর ম্যাচের ২৮ মিনিটে নিকোলাস পেপের ডান পায়ের শট বাঁ দিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে গোলের দেখা পায় নরওয়ে। ডি বক্সের বাইরে থেকে কোনাকুনি শটে বল জালে জড়ান আন্তনিও নুসা। এতেই ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় নরওয়ে।
বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচে সমতা ফেরানোর চেষ্টা বেশ কয়েকবার আক্রমণে যায় আইভরিকোস্ট। তবে গোলের দেখা পেতে ৭৪ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় তাদের। অনেকটা একক কৃতিত্বে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দুর্দান্ত গোলে দলকে সমতায় ফেরান আমাদ দিয়ালো।
এরপর ম্যাচের ৮৬ মিনিটে আবারও গোলের দেখা পায় নরওয়ে। দারুণ এক আক্রমণে প্যাট্রিক বার্গ তিন ডিফেন্ডারের ফাঁদ এড়িয়ে বল পাঠান হলান্ডের উদ্দেশে। এরপর আলতো ছোঁয়ায় সহজেই বল জালে জড়ান ম্যানচেস্টার সিটি তারকা। এটি বিশ্বকাপে হলান্ডের ৫ম গোল।
গোলের আশায় ম্যাচের শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায় আইভরিকোস্ট। তবে আর গোলের দেখা পায়নি তারা। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নরওয়ে। শেষ ষোলোয় ব্রাজিলের মোকাবিলা করবে হালান্ডরা। আগামী ৫ জুলাই রাত ২টায় নিউজার্সিতে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও নরওয়ে।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস