ছিনতাইকারী ও চাঁদাবাজ ধরতে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু বল প্রয়োগ করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেছেন, “চেষ্টা থাকবে ন্যূনতম বল প্রয়োগ করার জন্য। যেখানে পুলিশ আক্রান্ত হবে, যেখানে অস্ত্র ব্যবহার হবে, সেখানে অবশ্যই আমাদের আত্মরক্ষার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।” পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার কার্যালয়ে মঙ্গলবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা উদ্যান এলাকায় অভিযানে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের ওপর চাপাতি দিয়ে আক্রমণের ঘটনায় রাতে সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি এ কথা বলেন।
আদাবরে একজন বিকাশ এজেন্টকে মঙ্গলবার সকালে কুপিয়ে টাকা ছিনিয়ে নেয় ছিনতাইকারীর। ওই ঘটনায় বিকালে অভিযানে গেলে আদাবর থানার ওসি ও একজন এসআইকে চাপাতি দিয়ে আঘাত করা হয়। এসময় পুলিশ গুলি ছুড়লে সন্দেহভাজন দুজন আহত হন।
ঘটনাস্থল থেকে রুবেল, কাশেম, আমির ও জয় নামের চারজনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে আমির ও রুবেল পুলিশের গুলিতে আহত হন।
রাতে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ওই ঘটনা নিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, “কেউ অস্ত্র দিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করলে অবশ্যই আত্মরক্ষার্থে বল প্রয়োগ করতে হবে। আজকে (মঙ্গলবার) যে ঘটনা ঘটেছে, সেখানে চেষ্টা করেছিলাম আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার না করে তাদের গ্রেপ্তার করতে।
“কিন্তু যখন তারা অস্ত্র নিয়ে পুলিশের উপর আক্রমণ করেছে, সে সময় আমাদের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা ছাড়া উপায় ছিল না।”
মোহাম্মদপুরের জেনিভা ক্যাম্পে প্রতিদিন পুলিশের অভিযান অব্যাহত রাখার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে মাদকের একটা অবস্থান গড়ে উঠেছে। মাদকের জন্যই ছিনতাইসহ অপরাধ বেশি হয়ে থাকে। মাদকের বিরুদ্ধে শুধু মোহাম্মদপুর নয়, ঢাকা শহরের প্রতিটি থানা এলাকায় আমাদের অভিযান চলছে।”
রাজধানীর বিভিন্ন থানায় সন্ত্রাস-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অব্যাহত অভিযানের কারণে ‘অনেক অপরাধ কমে এসেছে’ দাবি করে পুলিশ কমিশনার বলেন, “শুধু মোহাম্মদপুর নয়, রাজধানীর প্রতিটি এলাকার মানুষ যেন নিরাপদে থাকতে পারে, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে, সে ব্যাপারে আমরা কাজ করছি।
“কিছু ঘটনার কারণে ও অপরাধভেদে মোহাম্মদপুরসহ কিছু কিছু থানায় বেশি নজর দিতে হচ্ছে।”
বাংলা৭১নিউজ/জেএস