মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বগলদাবা বা সংঘাতমুখী নয়, কার্যকর বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করবে জামায়াত যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দেওয়ার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে লালমনিরহাটে জনতা-পুলিশ সংঘর্ষ, ডিসি-এসপির গাড়ি ভাঙচুর, ওসি প্রত্যাহার বিশ্বকাপে কোন দল সমর্থন করছেন—উত্তরে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, অংশীদার হিসেবে দেখতে চায় সরকার : তথ্যমন্ত্রী রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা: রেলমন্ত্রী এবার শাহজালালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং করতে চায় সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনো একসঙ্গে যায়নি : মির্জা ফখরুল দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার প্রতিবাদ হিসেবে ভারতে প্রবেশ না করে দেশে ফিরেছি

গ্যাস বিস্ফোরণ মায়ের পর মারা গেলেন বাবা-ছেলে, আইসিইউতে মেয়ে

নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ নেত্রকোনার একই পরিবারের তিন সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

মৃতরা হলেন- মা সুলতানা বেগম, বাবা আব্দুল মান্নান (মান্নান মিয়া) ও তাদের ছেলে সিয়াম। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে নেত্রকোনার পূর্বধলার জারিয়া ইউনিয়নের দলদলা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন হয়।

এর আগে গত ১১ জুন ভোরে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে তারা রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এছাড়া ওই পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য ১৩ বছর বয়সী মেয়ে মিম আক্তার, রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরের ৪১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে সবজি বিক্রেতা আব্দুল মান্নান পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন।

গত ১১ জুন ভোরে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, এলপিজি সিলিন্ডার থেকে সারা রাত গ্যাস লিক হয়ে ঘরের ভেতরে জমে ছিল। ভোরে সুলতানা বেগম রান্নাঘরে আগুন জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পরিবারের সদস্যরা গুরুতর দগ্ধ হন।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, দগ্ধ হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১২ জুন প্রথমে মারা যান সুলতানা বেগম। তার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। পরে ১৫ জুন ভোরে আব্দুল মান্নান এবং একই দিন সকাল ১০টার দিকে তাদের ছেলে সিয়ামের মৃত্যু হয়। আব্দুল মান্নানের শরীরের ৩৫ শতাংশ এবং সিয়ামের ৭৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

ডা. শাওন আরও বলেন, মিমের শ্বাসনালিসহ শরীরের ৪১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। তার অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন।

এ ঘটনায় দগ্ধ হওয়া প্রতিবেশী শিশু হযরত আলীও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে লাশগুলো দাফনের সময় নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার দলদলা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে।

সোমবার (১৫ জুন) রাতে তিনজনের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় জানাজা শেষে গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি তাদের দাফন করা হয়।

বাংলা৭১নিউজ/এআরকে

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com