বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জুনের ৮ দিনেই দেশে এলো ৯৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে ৫০ শতাংশ অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ২১ বছরের অপেক্ষা ঘোচাল বাংলাদেশ সিটি করপোরেশনের ট্রাকের চাপায় ছাত্রদল-যুবদল নেতা নিহত বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী সীমিত সম্পদের মধ্যেও বাজেটে প্রত্যেক নাগরিককে বিবেচনায় রাখা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী অনার্সে কোর্স কমানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি : শিক্ষামন্ত্রী শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ’লীগের নেতাকর্মীরা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ রাশিয়ায় এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর প্রস্তাব

পুশ-ইন ঘিরে নেত্রকোনা সীমান্ত এলাকায় গ্রামবাসীদের নিয়ে বিজিবির টহল

নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইনকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নেত্রকোনার সীমান্ত এলাকাগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধি করে দিন-রাত টহল জোরদার করা হয়েছে। টহল কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরাও।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইনের ঘটনা সামনে আসার পর নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা আরও বাড়ানো হচ্ছে।

পুশ-ইন প্রতিরোধকে বর্তমানে সীমান্ত নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করছে বিজিবি। এ কারণে সীমান্ত পাহারায় বিজিবি সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। দেশের স্বার্থে গ্রামবাসীরা একাট্টা হয়ে রাতের বেলায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে পুশ-ইন প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরি করছেন। একই সঙ্গে মানবপাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধেও বাড়তি নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত এক বছরে বিজয়পুর সীমান্ত দিয়ে তিন ধাপে নারী, শিশু, তৃতীয় লিঙ্গের সদস্য এবং রোহিঙ্গা নাগরিকসহ মোট ৭৬ জনকে ভারত থেকে বাংলাদেশে পুশ-ইন করা হয়েছে। সম্প্রতি আবারও পুশ-ইন ইস্যুতে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় সীমান্তে কড়া নজরদারি শুরু করেছে নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি)।

স্থানীয় সীমান্তবাসীরা জানান, নিজেদের এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্ব তারা নিজেরাই কাঁধে তুলে নিয়েছেন। বিজিবির পাশাপাশি তাদের চোখও এখন বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের দিকে।

বিজয়পুর সীমান্তের বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার মো. নুরুল ইসলাম বলেন, জনবল বৃদ্ধি এবং টহল জোরদারের মাধ্যমে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। এ কাজে স্থানীয় গ্রামবাসীদের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী জানান, নেত্রকোনার ৯২ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় ১০টি বিওপি, ময়মনসিংহের তিনটি এবং সুনামগঞ্জের দুটি বিওপিসহ মোট ১৫টি বিওপির আওতায় টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা বজায় রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পুশ-ইনের চেষ্টা সফল হয়নি। একই সঙ্গে সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধেও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় গ্রামবাসীরাও সচেতন থেকে আমাদের সহযোগিতা করছেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএম

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com