ঢাকা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo যুদ্ধ, যন্ত্রণা ও মানবতার জীবন্ত আখ্যান: ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ Logo কূটনীতির মোড়কে প্রচ্ছন্ন চাপ: বাংলাদেশ কোনো দেশের অঙ্গরাজ্য নয় Logo ঝুঁকিপূর্ণ লিবিয়া-গ্রিস রুট: প্রাণ হাতে ইউরোপের পথে বাংলাদেশি ও সুদানিরা Logo ঈদে মিলাদুন্নবীতে আজ দেশজুড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকবে নানা আয়োজন Logo আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে সীমান্ত Logo পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ Logo প্রতিটি বিভাগে মডেল খাল প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সরকার Logo ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে প্রজ্ঞাপন Logo যুক্তরাষ্ট্রে ২ লাখ ভিসা বাতিলের মুখে: ঝুঁকিতে রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীরা Logo স্রষ্টার করুণা যখন মানবরূপে: নিঃস্বদের আশ্রয়দাত্রী মাদার তেরেসা

দেশপ্রেমিক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে রাষ্ট্র মেরামত করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্র ও সমাজকে নতুন করে মেরামত করতে চায়। আর সেই কার্যক্রমের প্রতিটি পর্বে সংশ্লিষ্ট দেশপ্রেমিকদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতেই করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এই পরিবর্তনের কথা বলছি না; রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তনের জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ’ আয়োজিত ‘জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাতৃভূমির ৫৫ বছরের ইতিহাসে আমরা যেমন গৌরবগাথা দেখেছি, তেমনি বিপর্যয়ও দেখেছি। 

গৌরব ও দুঃসময়ের সেসব অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত প্রজ্ঞা দিয়েই আমরা বিশেষজ্ঞদের জ্ঞানের সঙ্গে একটা সংযোগ তৈরি করতে চাই।

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, চলচ্চিত্রসহ সংশ্লিষ্ট সকল ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কার্যকর মতবিনিময় এবং চিন্তার সংযোগ ঘটাতে না পারলে গুণগত মানের উৎপাদন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।’

চলচ্চিত্রকে সমাজ পরিবর্তনের এক শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেন জহির উদ্দিন স্বপন। মন্ত্রী বলেন, যারা বিত্তবান হওয়ার স্বপ্ন বাদ দিয়ে কেবল প্যাশন, দেশপ্রেম ও মানবকল্যাণের তাগিদে চলচ্চিত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, রাষ্ট্রকে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সমাজ ও সভ্যতার বিকাশে এই ‘সফট পাওয়ার’ বা মেধার শক্তি অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও আইনের বিধি-বিধানের মধ্যে থেকে চলচ্চিত্র কর্মীদের জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ উন্মুক্ত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে চমৎকার সব শব্দের আড়ালে চলচ্চিত্র মাধ্যমকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর প্রোপাগান্ডা মেশিন বানানোর করুণ অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। কিন্তু যারা কোনো গোষ্ঠীর বা মতবাদের দাস, তাদের পক্ষে মুক্ত চিন্তা করা সম্ভব নয়।

তিনি চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনকে কোনো বিশেষ নেপথ্য রিমোট কন্ট্রোলের হাতিয়ার না বানিয়ে, সমাজ পরিবর্তনের প্রকৃত স্বাধীন ও মুক্ত চিন্তার আন্দোলনে রূপান্তরিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনে অসামান্য অবদানের জন্য অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট শিল্প সমালোচক ও চলচ্চিত্র বোদ্ধা মঈনুদ্দিন খালেদকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ-এর সভাপতি ড. জহিরুল ইসলাম কচির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল।

এছাড়া দেশের বিভিন্ন চলচ্চিত্র সংসদের প্রতিনিধি, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গবেষকরাও সম্মেলনে অংশ নেন।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :

যুদ্ধ, যন্ত্রণা ও মানবতার জীবন্ত আখ্যান: ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’

দেশপ্রেমিক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে রাষ্ট্র মেরামত করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:০০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্র ও সমাজকে নতুন করে মেরামত করতে চায়। আর সেই কার্যক্রমের প্রতিটি পর্বে সংশ্লিষ্ট দেশপ্রেমিকদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতেই করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এই পরিবর্তনের কথা বলছি না; রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তনের জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ’ আয়োজিত ‘জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাতৃভূমির ৫৫ বছরের ইতিহাসে আমরা যেমন গৌরবগাথা দেখেছি, তেমনি বিপর্যয়ও দেখেছি। 

গৌরব ও দুঃসময়ের সেসব অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত প্রজ্ঞা দিয়েই আমরা বিশেষজ্ঞদের জ্ঞানের সঙ্গে একটা সংযোগ তৈরি করতে চাই।

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, চলচ্চিত্রসহ সংশ্লিষ্ট সকল ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কার্যকর মতবিনিময় এবং চিন্তার সংযোগ ঘটাতে না পারলে গুণগত মানের উৎপাদন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।’

চলচ্চিত্রকে সমাজ পরিবর্তনের এক শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেন জহির উদ্দিন স্বপন। মন্ত্রী বলেন, যারা বিত্তবান হওয়ার স্বপ্ন বাদ দিয়ে কেবল প্যাশন, দেশপ্রেম ও মানবকল্যাণের তাগিদে চলচ্চিত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, রাষ্ট্রকে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সমাজ ও সভ্যতার বিকাশে এই ‘সফট পাওয়ার’ বা মেধার শক্তি অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও আইনের বিধি-বিধানের মধ্যে থেকে চলচ্চিত্র কর্মীদের জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ উন্মুক্ত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে চমৎকার সব শব্দের আড়ালে চলচ্চিত্র মাধ্যমকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর প্রোপাগান্ডা মেশিন বানানোর করুণ অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। কিন্তু যারা কোনো গোষ্ঠীর বা মতবাদের দাস, তাদের পক্ষে মুক্ত চিন্তা করা সম্ভব নয়।

তিনি চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনকে কোনো বিশেষ নেপথ্য রিমোট কন্ট্রোলের হাতিয়ার না বানিয়ে, সমাজ পরিবর্তনের প্রকৃত স্বাধীন ও মুক্ত চিন্তার আন্দোলনে রূপান্তরিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনে অসামান্য অবদানের জন্য অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট শিল্প সমালোচক ও চলচ্চিত্র বোদ্ধা মঈনুদ্দিন খালেদকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ-এর সভাপতি ড. জহিরুল ইসলাম কচির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল।

এছাড়া দেশের বিভিন্ন চলচ্চিত্র সংসদের প্রতিনিধি, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গবেষকরাও সম্মেলনে অংশ নেন।

বাংলা৭১নিউজ/এবি