বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চার মাসে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধেছে সরকার বাংলাদেশে সুইডিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ১৬৪, আহত প্রায় এক হাজার গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ৯ বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা, প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টা করলে কঠোর শাস্তি : শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরের বাইরে পৃথক কার্গো ভিলেজ গড়ার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজ করছে সরকার : পরিবেশমন্ত্রী মাদক মামলার বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিস্তা ও অন্যান্য নদী ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-চীনের ঐকমত্য বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প আমাদের জন্য বোঝা : অর্থমন্ত্রী

কমপ্লিট শাটডাউনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, ক্লাস-পরীক্ষা নেননি শিক্ষকরা

বরিশাল প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে চলছে কমপ্লিট শাটডাউন। এমনকি শিক্ষকরা প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করে আন্দোলন বেগবান করছেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) দ্বিতীয় দিনের মতো শিক্ষকেরা ক্যাম্পাসের জিরো পয়েন্টে জড়ো হয়ে অবস্থান নেন। এর আগে সোমবার (১১ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিস কক্ষে তালা দেন। এর আগে তাদেরকে অফিস কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়।

শিক্ষকদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। সকাল থেকে দাবি আদায়ে আন্দোলনরত শিক্ষকরা প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় অবস্থান নেন। পরে তারা বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে কার্যক্রম বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান। কর্মরতদের তাদের আন্দোলনে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান করেন।

এছাড়া শিক্ষকদের একটি টিম প্রতিটি কক্ষে গিয়ে তালা দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বের করে দেন।

 

আন্দোলনরত শিক্ষকরা বলেন, শিক্ষকদের দাবি ও চলমান আন্দোলনের মধ্যে পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা সমাধানে গত ৩০ এপ্রিল উপাচার্য, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও আন্দোলনরত শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়। সেখানে দাবি মেনে নেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

কিন্তু ৯ মে সিন্ডিকেট সভা হলেও কোনো সমাধান হয়নি। এর প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষকরা সভা করে কমপ্লিট শাটডাউনের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা এবং প্রশাসনিক কাজ থেকে শিক্ষকদের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত হয়।

২১ এপ্রিল শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিতে এ আন্দোলন শুরু হয়। শিক্ষকরা প্রথমে কর্মবিরতি, শাটডাউন এবং সর্বশেষ ২৮ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয় অচল হয়ে যায়।

 

শিক্ষার্থীরা জানান, শিক্ষকদের এই আন্দোলনের কারণে তারা লেখাপড়ায় পিছিয়ে পড়ছেন। সেশনজট আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত পথে এগোবে। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করে শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষা সচলের দাবি জানান তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম জানান, সিন্ডিকেটের সভা ইতিবাচক হয়েছে। এরপরও তারা আন্দোলন ডাক দিয়েছেন। শিক্ষকদের আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে আসতে এবং ক্লাস-পরীক্ষা চালিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান উপাচার্য।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com