বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চার মাসে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধেছে সরকার বাংলাদেশে সুইডিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ১৬৪, আহত প্রায় এক হাজার গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ৯ বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা, প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টা করলে কঠোর শাস্তি : শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরের বাইরে পৃথক কার্গো ভিলেজ গড়ার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজ করছে সরকার : পরিবেশমন্ত্রী মাদক মামলার বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিস্তা ও অন্যান্য নদী ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-চীনের ঐকমত্য বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প আমাদের জন্য বোঝা : অর্থমন্ত্রী

হামের ১৫ লাখ টিকা এলো দেশে

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপডেট সময় বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

দেশে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে বৃহৎ পরিসরে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ইউনিসেফ ও গাভির মাধ্যমে হামের ১৫ লাখ এবং টিটেনাস-ডিপথেরিয়ার (টিডি) ৯ লাখ ভ্যাকসিন দেশে এসেছে।

বুধবার (৬ মে) দুপুরে এসব ভ্যাকসিন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

এ উপলক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের কিছু সিদ্ধান্তের কারণে ইপিআই কর্মসূচি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বর্তমান সরকার এটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে ভ্যাকসিন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল করে সরাসরি ইউনিসেফের মাধ্যমে ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার এরই মধ্যে ৮৩.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ইউনিসেফকে প্রদান করেছে, যার মাধ্যমে ১০ ধরনের প্রায় ৯৫ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হচ্ছে। ৩ মে প্রথম চালানে ১৫ লাখের বেশি আইপিভি ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছায়। আজ ৬ মে আরও ১৫ লাখ ডোজ এমআর এবং লাখ ডোজ টিডি ভ্যাকসিন এসেছে।

মন্ত্রী আরও জানান, আগামী ১০ মে’র মধ্যে আরও প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ বিভিন্ন ধরনের ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছাবে এবং সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরো সরবরাহ সম্পন্ন হবে বলে পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’ চালু রয়েছে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ৫ মে পর্যন্ত ১ কোটি ৬৮ লাখের বেশি শিশু টিকা পেয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৯৩ শতাংশ। শিগগির শতভাগ কভারেজ অর্জন সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে টাইফয়েডের (টিসিভি) ও হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি)-এর ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং নতুন সরবরাহের ফলে আগামী ৮ থেকে ১২ মাস অন্য কোনো ভ্যাকসিনের ঘাটতি হবে না। কোল্ড চেইন ব্যবস্থার মাধ্যমে ভ্যাকসিনের গুণগত মান নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে ইউনিসেফ কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে।

মন্ত্রী শিশুদের টিকাদান নিশ্চিতে অভিভাবক, শিক্ষক, কমিউনিটি লিডার ও ধর্মীয় নেতাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এডিবিসহ সব উন্নয়ন সহযোগীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং টিকাদান কর্মসূচি আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ইউনিসেফের বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com