শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’ করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

এ কে ফজলুল হক ছিলেন অসাধারণ প্রজ্ঞাবান ও বিচক্ষণ এক রাজনীতিবিদ

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলার বাঘ হিসেবে খ্যাত এ কে ফজলুল হক ছিলেন এক অসাধারণ প্রজ্ঞাবান, অসম সাহসী ও বিচক্ষণ এক রাজনীতিবিদ।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) উপমহাদেশের বরেণ্য রাজনীতিবিদ, ক্ষণজন্মা পুরুষ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির দেওয়া এক বাণীতে রোববার এ কথা বলেন।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য, সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের সভাপতি (১৯১৬-১৯২১), কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩), পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ও পূর্ব বাংলার গভর্নরের (১৯৫৬-১৯৫৮) পদসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

তিনি বলেন, দক্ষ রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক হিসেবে প্রায় অর্ধ-শতাব্দীর বেশি সময় ধরে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, অবিভক্ত বাংলার রাজনৈতিক অঙ্গনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব ফজলুল হক ছিলেন কৃষক, শ্রমিক ও গণমানুষের নেতা। তিনি ১৯৩৬ সালে কৃষক প্রজা পার্টি (কেপিপি) এবং ১৯৫৩ সালে শ্রমিক-কৃষক দল প্রতিষ্ঠা করেন। 

তিনি বলেন, অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শেরে বাংলা এ অঞ্চলের শিক্ষার উন্নয়ন, রাজনীতি ও সমাজ সংস্কারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে গেছেন। তার উদ্যোগে গঠিত ‘ঋণ সালিশি বোর্ড’ বাংলার শোষিত ও নির্যাতিত কৃষক সমাজকে ঋণের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। 

রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি ( শেরে বাংলা) বঙ্গীয় চাকরি নিয়োগবিধি, প্রজাস্বত্ব আইন, মহাজনি আইন, দোকান কর্মচারী আইন প্রণয়নসহ বহু জনকল্যাণমুখী কাজ করেন, যা এ অঞ্চলের অবহেলিত কৃষক-শ্রমিকের ভাগ্যোন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রেখেছে।

তিনি বলেন, ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ তিনি মুসলিম লীগের সম্মেলনে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে ‘স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ’ গঠনের ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ উত্থাপন করেন, যার মধ্যে নিহিত ছিল আমাদের আত্মপরিচয়ের সন্ধান এবং স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন ও পথনির্দেশনা।

কৃষক-শ্রমিক তথা মেহনতি মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে তার অবদান বাংলার মানুষ চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে বলেও রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি আশা করি, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিশেষ করে রাজনীতিবিদগণ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, জীবনাদর্শ, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দর্শনকে অনুসরণ করে কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে ইতিবাচক অবদান রাখবেন।

বাংলা৭১নিউজ/এআরকে

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com