ঢাকা ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তুরস্কের স্কুলে বন্দুক হামলায় আহত ১৬, হামলাকারীর আত্মহত্যা

তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি হাই স্কুলে সাবেক এক শিক্ষার্থীর এলোপাথাড়ি গুলিতে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। দেশটির সিভরেক জেলার আহমেদ কোয়ুনচু ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল আনাতোলিয়ান হাই স্কুলে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয় গভর্নর হাসান সিলদাক জানিয়েছেন, ১৮ বছর বয়সী ওই তরুণ স্কুল প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে একটি শটগান দিয়ে নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে। হামলার একপর্যায়ে বন্দুকধারী কিশোর নিজেও গুলি করে আত্মহত্যা করেন।

আহতদের মধ্যে ১০ জন শিক্ষার্থী ছাড়াও চারজন শিক্ষক, একজন ক্যাফেটেরিয়া কর্মী এবং একজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলাকারী তরুণ স্কুলের মূল ফটক দিয়ে ভেতরে ঢুকেই হাতে থাকা পাম্প-অ্যাকশন শটগান দিয়ে চারদিকে গুলি ছুড়তে শুরু করে।

এরপর সে স্কুল ভবনের ভেতরে ঢুকে বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে তাণ্ডব চালায়। ভয়ার্ত শিক্ষার্থীদের আর্তচিৎকারের মধ্যে অন্তত দুটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে সে সরাসরি গুলি চালায় বলে জানা গেছে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে।

গভর্নর সিলদাক জানিয়েছেন, ওই হামলাকারীর আগে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড ছিল না এবং স্কুলটিকে পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপদ হিসেবেই বিবেচনা করা হতো। হামলার পরপরই পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ খালি করে দেওয়া হয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এলাকাটি ঘিরে ফেলে। 

সূত্র: বিবিসি

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :

তুরস্কের স্কুলে বন্দুক হামলায় আহত ১৬, হামলাকারীর আত্মহত্যা

আপডেট সময় ০৮:১৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি হাই স্কুলে সাবেক এক শিক্ষার্থীর এলোপাথাড়ি গুলিতে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। দেশটির সিভরেক জেলার আহমেদ কোয়ুনচু ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল আনাতোলিয়ান হাই স্কুলে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয় গভর্নর হাসান সিলদাক জানিয়েছেন, ১৮ বছর বয়সী ওই তরুণ স্কুল প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে একটি শটগান দিয়ে নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে। হামলার একপর্যায়ে বন্দুকধারী কিশোর নিজেও গুলি করে আত্মহত্যা করেন।

আহতদের মধ্যে ১০ জন শিক্ষার্থী ছাড়াও চারজন শিক্ষক, একজন ক্যাফেটেরিয়া কর্মী এবং একজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলাকারী তরুণ স্কুলের মূল ফটক দিয়ে ভেতরে ঢুকেই হাতে থাকা পাম্প-অ্যাকশন শটগান দিয়ে চারদিকে গুলি ছুড়তে শুরু করে।

এরপর সে স্কুল ভবনের ভেতরে ঢুকে বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে তাণ্ডব চালায়। ভয়ার্ত শিক্ষার্থীদের আর্তচিৎকারের মধ্যে অন্তত দুটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে সে সরাসরি গুলি চালায় বলে জানা গেছে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে।

গভর্নর সিলদাক জানিয়েছেন, ওই হামলাকারীর আগে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড ছিল না এবং স্কুলটিকে পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপদ হিসেবেই বিবেচনা করা হতো। হামলার পরপরই পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ খালি করে দেওয়া হয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এলাকাটি ঘিরে ফেলে। 

সূত্র: বিবিসি

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ