ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়: জাহেদ উর রহমান Logo লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও স্বল্পসুদে ঋণ সম্প্রসারণে সরকারের নানা উদ্যোগ: শিল্পমন্ত্রী Logo রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৪ Logo গুজব প্রতিরোধে ‘বাংলাফ্যাক্ট’ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে : তথ্যমন্ত্রী Logo ষড়যন্ত্র করে ভোটে হারানো হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারও জড়িত ছিল Logo শেয়ারবাজার স্থিতিশীলতায় ১৭ দফা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে Logo জ্বালানি খাতে তুরস্কের বিনিয়োগকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ Logo বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও Logo প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি গড়ে তুলতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার Logo জাতিসংঘে বাংলাদেশের পরবর্তী স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান

বইমেলা শুরু বৃহস্পতিবার, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা-২০২৬। এদিন দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেলার উদ্বোধন করবেন।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেলার সবশেষ প্রস্তুতি তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব সেলিম রেজা। বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির পরিচালক সরকার আমিন।

এবার মেলা চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মেলা। রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলাপ্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবেন না। আর ছুটির দিন বইমেলা বেলা ১১টা থেকে শুরু হয়ে চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।

লিখিত বক্তব্যে সেলিম রেজা বলেন, এবারের বইমেলায় অংশগ্রহণকারী মোট প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ৫৪৯টি। এরমধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি। মোট ইউনিট ১ হাজার ১৮টি।

গত বছর মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ছিল ৭০৮টি এবং ইউনিট ছিল ১ হাজার ৮৪টি। মেলা কমিটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের মেলায় কমেছে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা।

মেলায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বর থাকবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের কাছাকাছি গাছতলায়। সেখানে ৮৭টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিশুচত্বরে মোট প্রতিষ্ঠান ৬৩টি এবং ইউনিট ১০৭টি।

 

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, এবারের মেলা সকল সম্ভাবনায় আলোকিত হয়ে প্রাণের বইমেলায় পরিণত হবে বলে আমরা আশা করছি। মেলায় সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।

মেলা কমিটির সদস্য সচিব সেলিম রেজা বলেন, এবার বইমেলার বিন্যাস গতবারের মতো অক্ষুণ্ন রাখা হয়েছে। তবে কিছু আঙ্গিকগত পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এদিকে, প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বইমেলার মূল মঞ্চে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার এবং বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

প্রতি শুক্র ও শনিবার মেলায় বেলা ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ‘শিশুপ্রহর’ থাকবে। অমর একুশে উদযাপনের অংশ হিসেবে শিশুকিশোর চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি এবং সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকছে।

মেলায় নামাজের স্থান, ওয়াশরুমসহ প্রয়োজনীয় পরিষেবা অব্যাহত থাকবে। পবিত্র রমজান উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে মুসল্লিদের জন্য তারাবি নামাজের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বাংলা একাডেমি এবং অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করবে; সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের নির্ধারিত কমিশনে বই বিক্রি করবে। বাংলা একাডেমির বই ও পত্রপত্রিকার বিক্রয় স্টল থাকবে মেলার উভয় অংশেই।

প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত মূল মঞ্চে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার এবং বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি শুক্র ও শনিবার বেলা ১১টা থেকে শিশুপ্রহর আয়োজন করা হবে। এছাড়া শিশুকিশোরদের জন্য চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকবে। নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মেলার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ পুলিশ, র‍্যাব, আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। পুরো এলাকায় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। মেলাপ্রাঙ্গণ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা নিয়ন্ত্রণে পানি ছিটানো এবং মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এবারের বইমেলাকে পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষায় ‘জিরো ওয়েস্ট বইমেলা’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্টল, ব্যানার, লিফলেট ও খাবারের দোকানসহ সব আয়োজনে পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর ২০২৫ সালে প্রকাশিত গ্রন্থ থেকে গুণগত মানের ভিত্তিতে প্রকাশককে প্রদান করা হবে ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’। শৈল্পিক মানে সেরা বইয়ের জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান পাবে ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’। শিশুতোষ গ্রন্থে বিশেষ অবদানের জন্য থাকবে ‘রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার’। স্টলের নান্দনিক সাজসজ্জায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হবে ‘কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’।

এছাড়া এ বছর নতুনভাবে প্রবর্তন করা হয়েছে ‘সরদার জয়েনউদ্দীন স্মৃতি পুরস্কার’। নতুন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে গুণগত মানের বিচারে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অনুযায়ী এ পুরস্কার প্রদান করা হবে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়: জাহেদ উর রহমান

বইমেলা শুরু বৃহস্পতিবার, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:০২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা-২০২৬। এদিন দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেলার উদ্বোধন করবেন।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেলার সবশেষ প্রস্তুতি তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব সেলিম রেজা। বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির পরিচালক সরকার আমিন।

এবার মেলা চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মেলা। রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলাপ্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবেন না। আর ছুটির দিন বইমেলা বেলা ১১টা থেকে শুরু হয়ে চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।

লিখিত বক্তব্যে সেলিম রেজা বলেন, এবারের বইমেলায় অংশগ্রহণকারী মোট প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ৫৪৯টি। এরমধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি। মোট ইউনিট ১ হাজার ১৮টি।

গত বছর মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ছিল ৭০৮টি এবং ইউনিট ছিল ১ হাজার ৮৪টি। মেলা কমিটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের মেলায় কমেছে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা।

মেলায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বর থাকবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের কাছাকাছি গাছতলায়। সেখানে ৮৭টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিশুচত্বরে মোট প্রতিষ্ঠান ৬৩টি এবং ইউনিট ১০৭টি।

 

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, এবারের মেলা সকল সম্ভাবনায় আলোকিত হয়ে প্রাণের বইমেলায় পরিণত হবে বলে আমরা আশা করছি। মেলায় সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।

মেলা কমিটির সদস্য সচিব সেলিম রেজা বলেন, এবার বইমেলার বিন্যাস গতবারের মতো অক্ষুণ্ন রাখা হয়েছে। তবে কিছু আঙ্গিকগত পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এদিকে, প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বইমেলার মূল মঞ্চে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার এবং বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

প্রতি শুক্র ও শনিবার মেলায় বেলা ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ‘শিশুপ্রহর’ থাকবে। অমর একুশে উদযাপনের অংশ হিসেবে শিশুকিশোর চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি এবং সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকছে।

মেলায় নামাজের স্থান, ওয়াশরুমসহ প্রয়োজনীয় পরিষেবা অব্যাহত থাকবে। পবিত্র রমজান উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে মুসল্লিদের জন্য তারাবি নামাজের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বাংলা একাডেমি এবং অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করবে; সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের নির্ধারিত কমিশনে বই বিক্রি করবে। বাংলা একাডেমির বই ও পত্রপত্রিকার বিক্রয় স্টল থাকবে মেলার উভয় অংশেই।

প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত মূল মঞ্চে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার এবং বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি শুক্র ও শনিবার বেলা ১১টা থেকে শিশুপ্রহর আয়োজন করা হবে। এছাড়া শিশুকিশোরদের জন্য চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকবে। নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মেলার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ পুলিশ, র‍্যাব, আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। পুরো এলাকায় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। মেলাপ্রাঙ্গণ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা নিয়ন্ত্রণে পানি ছিটানো এবং মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এবারের বইমেলাকে পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষায় ‘জিরো ওয়েস্ট বইমেলা’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্টল, ব্যানার, লিফলেট ও খাবারের দোকানসহ সব আয়োজনে পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর ২০২৫ সালে প্রকাশিত গ্রন্থ থেকে গুণগত মানের ভিত্তিতে প্রকাশককে প্রদান করা হবে ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’। শৈল্পিক মানে সেরা বইয়ের জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান পাবে ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’। শিশুতোষ গ্রন্থে বিশেষ অবদানের জন্য থাকবে ‘রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার’। স্টলের নান্দনিক সাজসজ্জায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হবে ‘কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’।

এছাড়া এ বছর নতুনভাবে প্রবর্তন করা হয়েছে ‘সরদার জয়েনউদ্দীন স্মৃতি পুরস্কার’। নতুন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে গুণগত মানের বিচারে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অনুযায়ী এ পুরস্কার প্রদান করা হবে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ