বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জ্বালানি খাতে সহায়তা বাড়াচ্ছে জাপান, নৌবাহিনী পাচ্ছে ৫ প্যাট্রোল বোট রেমিট্যান্সে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ রাত পোহালেই এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে পৌনে ১৩ লাখ শিক্ষার্থী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৬৩ রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও অনলাইন প্রচারণা জোরদারের আহ্বান মির্জা ফখরুলের সদর হাসপাতালগুলোতে সিসিইউ চালু করা গেলে মৃত্যুহার কমানো সম্ভব : জুবাইদা রহমান সংবিধান সংস্কারে সুযোগ না পেলে জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের আন্দোলন চলবে সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত

পদ্মার বুকে বাঁশের বাঁধে নিধন হচ্ছে শতশত মণ জাটকা

বাংলা৭১নিউজ, ঢাকা
  • আপডেট সময় রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুরের সদরপুরে পদ্মা নদীর বুকে বাঁশের বাঁধ দিয়ে চলছে অবাধে জাটকা নিধন। নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে আড়া-আড়ি বাঁশের বাধ নির্মাণ করে প্রতিদিন শতশত মণ জাটকা ধরা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই এলাকায় অন্তত ২৫টি স্থানে এ ধরনের বাঁশের বাঁধ দিয়ে জাটকা শিকার করা হচ্ছে। উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের শয়তানখালী, দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়ার সোনপচা ও চর নাছিরপুর ইউনিয়ন পদ্মা নদীর বিস্তীর্ণ অংশজুড়ে বাঁশ পুঁতে তৈরি করা হয়েছে অস্থায়ী বাঁধ।

বাঁধের সঙ্গে বসানো হয়েছে সূক্ষ্ম ফাঁসের জাল। কোথাও ব্যবহার করা হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, কোথাও আবার টানা জাল দিয়ে অবাধে জাটকা ধরা হচ্ছে। নদীতে মাছের স্বাভাবিক চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বিপুল পরিমাণ জাটকা এসব ফাঁদে আটকা পড়ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক জেলে জানান, এক একটি বাঁধে ৫-৬ জন করে জেলে ২৪ ঘণ্টা জাটকা শিকার করেন। জাটকা স্থানীয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি পাইকারদের মাধ্যমে নদী পথে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। ফলে প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে সহজেই বাজারজাত হচ্ছে বিপুল পরিমাণ জাটকা।

পদ্মাপাড়ে বাসিন্দাদের অভিযোগ, জাটকা নিধন অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন মারাত্মকভাবে হ্রাস পেতে পারে। সরকার প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময়ে জাটকা রক্ষায় অভিযান পরিচালনা করলেও বছরের অন্যান্য সময়ে নজরদারির নেই বললেও চলে। আবার অভিযানে এলেও বাঁধ পুরোপুরি অপসারণ না করে কয়েকটি বাঁশ কেটে চলে যায়।

নজরুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, জাটকা রক্ষায় শুধু অভিযান নয়, জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে নদীতে এ ধরনের অবৈধ শিকার বন্ধ করা কঠিন হবে। পদ্মার ইলিশ রক্ষায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে চড়া মূল্য দিতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, অবৈধ বাধ ও নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে নদী এলাকার বিস্তৃতি ও জনবল সংকটের কারণে সব স্থান একযোগে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তারপরও এ বিষয়ে আমরা সচেষ্ট রয়েছি।

বাংলা৭১নিউজ/এআরকে

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com