বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চার মোবাইল কোম্পানির কাছে সরকারের পাওনা ১৩,৩৪৪ কোটি টাকা আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে : অর্থমন্ত্রী বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ১৩৭ কোটি টাকার সহায়তা চুক্তি সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে সরকার: মির্জা ফখরুল জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘বুলেট ট্রেনে’ ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী ‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এআই সিস্টেমে কঠোর নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব

বাংলা৭১নিউজ, ঢাকা
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

দেশে প্রথমবারের মতো তৈরি হতে যাওয়া ‘জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিমালা (২০২৬-২০৩০)’-এর খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এআই সিস্টেমের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং বাধ্যতামূলক প্রভাব মূল্যায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক স্কোরিং ও গণ-নজরদারিমূলক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধের কথা বলা হয়েছে খসড়াটিতে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। খসড়া নীতিমালার ওপর এখন জনসাধারণের মতামত নেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় প্রকাশিত এই খসড়ায় স্বাস্থ্য, আইন প্রয়োগ ও কর্মসংস্থানের মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের জন্য শক্তিশালী সুরক্ষা ব্যবস্থার বিধান রাখা হয়েছে। নীতিমালায় মানবাধিকার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে অপরিহার্য মূলনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটি পূর্ববর্তী সেবামুখী কাঠামোর বদলে দায়িত্বশীল এআই উন্নয়নের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।

ডিপফেক, এআই-সৃষ্ট গুজব, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ও শিশু শোষণ মোকাবিলায় এতে ব্যাপক পদক্ষেপের উল্লেখ রয়েছে, যা ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ (২০২৫)’-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এআই খাতে উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে একটি ‘এআই উদ্ভাবন তহবিল’ গঠন এবং নিরাপদ পরীক্ষার জন্য ‘নিয়ন্ত্রক স্যান্ডবক্স’ তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া মাধ্যমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত পাঠ্যক্রমে এআই শিক্ষা অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের। এর মূল লক্ষ্য হলো দেশের ডিজিটাল রূপান্তর ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সাথে সংগতি রেখে একটি নৈতিক এআই পরিবেশ তৈরি করা।

এই খসড়া নীতিমালার ওপর নাগরিক, শিল্প প্রতিনিধি, সুশীল সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত আহ্বান করা হয়েছে। আগ্রহী ব্যক্তিরা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত মতামত জমা দিতে পারবেন।

নীতিমালাটি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইউনেস্কো, ওইসিডি ও আসিয়ানের এআই নীতি কাঠামোর সাথে সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করবে, যা বাংলাদেশকে বৈশ্বিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। খসড়াটির পূর্ণাঙ্গ পাঠ সংশ্লিষ্ট নির্ধারিত লিংকে পাওয়া যাবে।

বাংলা৭১নিউজ/একেএম

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com