ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বাহিনীর হামলা ও ফিল্মি স্টাইলে অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে আনার ঘটনায় নিন্দা জানাতে ব্যর্থ হওয়ায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এমনটি দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনিজুয়েলায় মার্কিন হামলার নিন্দা জানাতে ব্যর্থ হওয়ায় যুক্তরাজ্য সরকার তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি হচ্ছে। সেই সঙ্গে ওয়াশিংটনের পদক্ষেপের প্রতি লন্ডনের সমর্থনের কারণে ওয়েস্টমিনস্টারে রাজনৈতিক প্রতিকূলতা আরও বাড়ছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মার্কিন পদক্ষেপ একটি ‘বিপজ্জনক নজির’ স্থাপন করেছে।
অন্যদিকে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার মার্কিন বোমা হামলা ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে আটকের নিন্দা করা থেকে বিরত থেকেছেন।
পরিবর্তে, স্টারমার বলেছেন, মাদুরো একজন ‘অবৈধ প্রেসিডেন্ট’ এবং যুক্তরাজ্য ‘তার শাসনের অবসানের জন্য কোনও অশ্রু ঝরাচ্ছে না’। বরং ভেনেজুয়েলায় একটি নতুন গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
তার এ ধরনের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা হচ্ছে নিজ দলের ভেতর থেকেই। লেবার এমপি রিচার্ড বার্গন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ওই বিবৃতিকে ‘লজ্জাজনক এবং বেপরোয়া’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। ট্রাম্পকে খুশি করার জন্য ব্রিটিশ সরকার আন্তর্জাতিক আইনকে উপেক্ষা করছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
ক্লাইভ লুইস সতর্ক করে বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইন অগ্রাহ্য করলে ‘বিশৃঙ্খলা এবং দায়মুক্তি’ চেপে বসবে।
অন্যদিকে জন ম্যাকডোনেল প্রশ্ন তুলে বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা আইনগতভাবে রাশিয়ার ইউক্রেনে আক্রমণ থেকে আলাদা হয় কীভাবে? তিনি প্রধানমন্ত্রী স্টারমারকে অনুরোধ করেছেন, যুক্তরাজ্য যদি সত্যিই আইনের শাসনের পক্ষে থাকে, তাহলে যেন এই পদক্ষেপের নিন্দা জানানো হয়।
সূত্র: আল-জাজিরা
বাংলা৭১নিউজ/এমএস




























