ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একে-৪৭ ব্যবহার, জেলা পুলিশ সুপার পদচ্যুত Logo ৬ ঘণ্টার পথ ১৪ ঘণ্টায় পৌঁছে কেমন আছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা Logo ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ভোট দেবেন ৩৪৯ সংসদ সদস্য Logo শিক্ষার্থীর ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী Logo নবম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, প্রেমিকসহ তিনজনের যাবজ্জীবন Logo ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলায় শুরু হয়েছে ‘দোলন বর্ষা আর্ট এক্সিবিশন’ Logo কম বয়সী পুরুষের প্রেমে মজেছিলেন যেসব অভিনেত্রী Logo বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বাড়াতে দুটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব Logo ‘পান মশলার বিজ্ঞাপন করি না’ মন্তব্যের পর ভাইরাল সানির মাদকের বিজ্ঞাপন Logo ন্যাড়া মাথায় মন্দিরে বলিউড অভিনেত্রী নয়নতারা, ভিডিও ভাইরাল

হিথ্রো বিমানবন্দরে তারেক রহমান, রওয়ানা দেবেন মধ্যরাতের ফ্লাইটে

সপরিবারে যুক্তরাজ্যের হিথ্রো বিমানবন্দরের পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে তিনি বিমানবন্দরে পৌঁছান।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার পর তিনি বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওয়ানা করেন। রাত সোয়া ১২টায় বাংলাদেশের উদ্দেশে বিমানের ফ্লাইটে উঠার কথা রয়েছে তার।

তারেক রহমানের সঙ্গে একই ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

দেড় যুগ পর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সর্বসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ, কৌতূহল ও আবেগের সঞ্চার হয়েছে। এ প্রত্যাবর্তন শুধু একজন নেতার দেশে ফেরা নয়, বরং সর্বজনীন প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার মেলবন্ধন, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ জনসমাগমের সম্ভাবনা।

তারেক রহমানকে বহনকারী ফ্লাইটটি সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। অবতরণের পরপরই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ও প্রটোকল ব্যবস্থাপনা কার্যকর করা হবে।

তারেক রহমানের প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার হলো সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তার গুরুতর অসুস্থ মমতাময়ী মা, বাংলাদেশের অভিভাবক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাওয়া।

তবে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে, জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান জানিয়ে, যাত্রাপথের মাঝামাঝি রাজধানীর ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফিট) এলাকায় তিনি অতি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য দেশবাসীর উদ্দেশে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন। সেখান থেকে হাসপাতালে গিয়ে দেশনেত্রীর পাশে থাকবেন, ও সেখান থেকে সরাসরি গুলশানে নিজ বাসায় যাবেন।

বহুল আকাঙ্ক্ষিত এই প্রত্যাবর্তনকে অনেকেই দেখছেন বিরাজমান অস্থির পরিস্থিতিতে জনগণের ঐক্য সৃষ্টি এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক দেশ প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে। সে কারণেই তারেক রহমানের ফেরা কেবল একটি ব্যক্তিগত প্রত্যাবর্তন নয়; বরং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জনগণের গভীর আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একে-৪৭ ব্যবহার, জেলা পুলিশ সুপার পদচ্যুত

হিথ্রো বিমানবন্দরে তারেক রহমান, রওয়ানা দেবেন মধ্যরাতের ফ্লাইটে

আপডেট সময় ১০:১৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

সপরিবারে যুক্তরাজ্যের হিথ্রো বিমানবন্দরের পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে তিনি বিমানবন্দরে পৌঁছান।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার পর তিনি বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওয়ানা করেন। রাত সোয়া ১২টায় বাংলাদেশের উদ্দেশে বিমানের ফ্লাইটে উঠার কথা রয়েছে তার।

তারেক রহমানের সঙ্গে একই ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

দেড় যুগ পর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সর্বসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ, কৌতূহল ও আবেগের সঞ্চার হয়েছে। এ প্রত্যাবর্তন শুধু একজন নেতার দেশে ফেরা নয়, বরং সর্বজনীন প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার মেলবন্ধন, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ জনসমাগমের সম্ভাবনা।

তারেক রহমানকে বহনকারী ফ্লাইটটি সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। অবতরণের পরপরই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ও প্রটোকল ব্যবস্থাপনা কার্যকর করা হবে।

তারেক রহমানের প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার হলো সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তার গুরুতর অসুস্থ মমতাময়ী মা, বাংলাদেশের অভিভাবক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাওয়া।

তবে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে, জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান জানিয়ে, যাত্রাপথের মাঝামাঝি রাজধানীর ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফিট) এলাকায় তিনি অতি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য দেশবাসীর উদ্দেশে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন। সেখান থেকে হাসপাতালে গিয়ে দেশনেত্রীর পাশে থাকবেন, ও সেখান থেকে সরাসরি গুলশানে নিজ বাসায় যাবেন।

বহুল আকাঙ্ক্ষিত এই প্রত্যাবর্তনকে অনেকেই দেখছেন বিরাজমান অস্থির পরিস্থিতিতে জনগণের ঐক্য সৃষ্টি এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক দেশ প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে। সে কারণেই তারেক রহমানের ফেরা কেবল একটি ব্যক্তিগত প্রত্যাবর্তন নয়; বরং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জনগণের গভীর আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস