জ্বালানি তেল বিপণনে ফিলিং স্টেশনের নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশি টহল জোরদার করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। রোববার (৮ মার্চ) পাঠানো এ চিঠিতে বলা হয়, দেশে জ্বালানি তেল
মার্চ মাসের জন্য জেট ফুয়েলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। নির্ধারিত দামে প্রতি লিটার
দীর্ঘমেয়াদে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট এড়াতে আজ রবিবার (৮ মার্চ) থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু হয়েছে। পেট্রোল পাম্পগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, জ্বালানি নিয়ে যে সংশয়টি জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছে আমরা সেটাকে অস্বাভাবিকভাবে দেখছি না। কারণ একটি যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। ফলে
ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের মতো মার্চ মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৩৪১ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) নতুন এ মূল্যের
এলপিজির বাজারে আপাতত কোনো দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে এলপিজি আমদানিকারক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ
বাংলাদেশে থাকা দুটি ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) বা এলএনজি টার্মিনালের মধ্যে একটিতে ফের যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এতে এই মধ্যে গ্যাসের সরবরাহ কমতে শুরু করেছে। আগামী দুই দিন
ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দাম
এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত এলাকায় সোমবার মধ্যরাত পর্যন্ত গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে তিতাস। রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কাছে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক দেশীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর বকেয়া পাওনার অঙ্ক উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এসব কোম্পানির মোট পাওনা প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা,