দীপিকা পাড়ুকোনের ক্যারিয়ারের অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্র নৈনা তলওয়ার। ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া অয়ন মুখোপাধ্যায়ের ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ ছবির শান্ত, পড়াশোনায় মনোযোগী ও খানিকটা লাজুক নৈনা আজও দর্শকের মনে সমান জনপ্রিয়। ছবিটি মুক্তির ১৩ বছর পরও যে চরিত্রটির আবেদন এতটুকু কমেনি, তা আরও একবার প্রমাণ করল দ্য অ্যাকাডেমির সাম্প্রতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট।
সম্প্রতি দ্য অ্যাকাডেমির অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’-র একটি বিশেষ দৃশ্য শেয়ার করা হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, দীপিকা পাড়ুকোনের নৈনা ও রণবীর কপূরের বানি উদয়পুরে একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। অদিতির বিয়ের আগে তাঁদের এই সাক্ষাৎ ও কথোপকথনের দৃশ্যটিই নতুন করে দর্শকের নজর কেড়েছে।
অ্যাকাডেমির পোস্টে নৈনার বক্তব্যের মূল ভাবনাটিই তুলে ধরা হয়েছে- জীবনে সবকিছু একসঙ্গে পাওয়ার বা দেখার তাড়াহুড়ো না করে কখনও কখনও যে মুহূর্তে রয়েছি, সেটিকেই উপভোগ করা জরুরি।
ছবির গল্পে বানি বরাবরই ছুটে চলতে চায়। নতুন জায়গা দেখা, নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করা এবং জীবনের প্রতিটি সুযোগকে কাজে লাগানো, তার কাছে যেন সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে নৈনা অনেক বেশি স্থির ও শান্ত। উদয়পুরে সূর্যাস্ত দেখার সেই মুহূর্তে বানি যখন পরবর্তী পরিকল্পনার দিকে এগিয়ে যেতে চায়, নৈনা তাকে কিছুক্ষণ থামতে এবং চারপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে বলে।
এই ছোট্ট দৃশ্যের মধ্যেই ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’-র অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দর্শন ফুটে ওঠে- স্বপ্নের পেছনে ছোটা যেমন জরুরি, তেমনই বর্তমানকে উপভোগ করাও জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ছবিটি মূলত বন্ধুত্ব, প্রেম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা, ব্যক্তিগত পছন্দ এবং বড় হয়ে ওঠার গল্পকে কেন্দ্র করেই এগিয়েছে।
অ্যাকাডেমির পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নস্টালজিয়ার ঝড়। বহু অনুরাগী জানিয়েছেন, এত বছর পরও ছবিটি তাঁদের কাছে একই রকম প্রিয়।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস

























