ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৬.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো পেরু

দক্ষিণ পেরুতে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যা রাজধানী লিমাসহ দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল কেঁপে ওঠে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) অনুযায়ী ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬.৭, যদিও পেরুর জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট (আইজিপি) এর মাত্রা ৭.২ বলে উল্লেখ করেছে।

স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় ঘটে যাওয়া এই ভূকম্পনের গভীরতা ছিল ১০৮ কিলোমিটার। আইজিপির জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের তথ্যমতে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল আয়াকুচো বিভাগের পারিনাকোচাস প্রদেশের কোরাকোরা শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে।

শক্তিশালী ভূকম্পন হলেও দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরণের অবকাঠামোগত ক্ষতির খবর জানায়নি। ভূবিজ্ঞানীরা জানান, ভূপৃষ্ঠের ১০৮ কিলোমিটার গভীরে ভূকম্পন তৈরি হওয়ায় এর অধিকাংশ শক্তি নিচেই শোষিত হয়ে যায়, যার ফলে উৎপত্তিস্থলের কাছাকাছি মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে।

পেরুর উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে ভূকম্পন বৃদ্ধির পটভূমিতে এই নতুন ঘটনাটি ঘটল। দেশটির ভৌগোলিক অবস্থান ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’ বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্নিবলয়ে হওয়ায় এখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ঘটে থাকে।

২০০৭ সালে ইকা অঞ্চলে ৭.৯ মাত্রার এক প্রলয়ংকরী ভূমিকম্পে প্রায় ৬০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আইজিপি সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে এবং জরুরি আপদকালীন প্রস্তুতি সম্পন্ন রাখতে পরামর্শ দিয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

৬.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো পেরু

আপডেট সময় ১০:৪৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

দক্ষিণ পেরুতে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যা রাজধানী লিমাসহ দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল কেঁপে ওঠে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) অনুযায়ী ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬.৭, যদিও পেরুর জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট (আইজিপি) এর মাত্রা ৭.২ বলে উল্লেখ করেছে।

স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় ঘটে যাওয়া এই ভূকম্পনের গভীরতা ছিল ১০৮ কিলোমিটার। আইজিপির জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের তথ্যমতে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল আয়াকুচো বিভাগের পারিনাকোচাস প্রদেশের কোরাকোরা শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে।

শক্তিশালী ভূকম্পন হলেও দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরণের অবকাঠামোগত ক্ষতির খবর জানায়নি। ভূবিজ্ঞানীরা জানান, ভূপৃষ্ঠের ১০৮ কিলোমিটার গভীরে ভূকম্পন তৈরি হওয়ায় এর অধিকাংশ শক্তি নিচেই শোষিত হয়ে যায়, যার ফলে উৎপত্তিস্থলের কাছাকাছি মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে।

পেরুর উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে ভূকম্পন বৃদ্ধির পটভূমিতে এই নতুন ঘটনাটি ঘটল। দেশটির ভৌগোলিক অবস্থান ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’ বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্নিবলয়ে হওয়ায় এখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ঘটে থাকে।

২০০৭ সালে ইকা অঞ্চলে ৭.৯ মাত্রার এক প্রলয়ংকরী ভূমিকম্পে প্রায় ৬০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আইজিপি সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে এবং জরুরি আপদকালীন প্রস্তুতি সম্পন্ন রাখতে পরামর্শ দিয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ