ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক কারামুক্ত

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগার থেকে তিনি মুক্ত হন। কারা অধিদপ্তরের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র গণমাধ্যমকে তার এই মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের হওয়া হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় গত ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছিলেন। এর আগে পৃথক আটটি মামলায় জামিন পেলেও বনানী থানার ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য গত ২ জুলাই আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৮ জুলাই তাকে এই মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গত ২৭ জুলাই নিম্ন আদালতে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হলে তিনি ৯ আগস্ট হাইকোর্টে যান। শুনানি শেষে ১০ আগস্ট হাইকোর্ট তাকে অন্তর্বর্তী জামিন দেন, যার ধারাবাহিকতায় বুধবার তার কারামুক্তির পথ সুগম হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মহাখালীর সেতু ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়েছিলেন। সেখান থেকে শাহবাগের দিকে যাওয়ার পথে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা, গুলিবর্ষণ ও ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে উজ্জ্বল মিয়াসহ অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন। ওই ঘটনার পর আহত উজ্জ্বল মিয়া বনানী থানায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এই মামলাটি দায়ের করেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক কারামুক্ত

আপডেট সময় ০৫:২১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগার থেকে তিনি মুক্ত হন। কারা অধিদপ্তরের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র গণমাধ্যমকে তার এই মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের হওয়া হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় গত ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছিলেন। এর আগে পৃথক আটটি মামলায় জামিন পেলেও বনানী থানার ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য গত ২ জুলাই আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৮ জুলাই তাকে এই মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গত ২৭ জুলাই নিম্ন আদালতে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হলে তিনি ৯ আগস্ট হাইকোর্টে যান। শুনানি শেষে ১০ আগস্ট হাইকোর্ট তাকে অন্তর্বর্তী জামিন দেন, যার ধারাবাহিকতায় বুধবার তার কারামুক্তির পথ সুগম হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মহাখালীর সেতু ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়েছিলেন। সেখান থেকে শাহবাগের দিকে যাওয়ার পথে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা, গুলিবর্ষণ ও ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে উজ্জ্বল মিয়াসহ অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন। ওই ঘটনার পর আহত উজ্জ্বল মিয়া বনানী থানায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এই মামলাটি দায়ের করেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ